পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রাম।এই বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছে বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী।তিনি আবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।অথচ মাদ্রাসা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী তো দূর,দেখানেই বিজেপির কোন চিহ্ন! তবে সগোরবে আছে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর ক্ষমতা দখলের লড়াই। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় মোতায়ন করতে হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।
নন্দীগ্রামের গুমগড় হাই মাদ্রাসা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিচালন কমিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে
তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে উঠেছে।
এই হাইস্কুলের জোট ছটি আসনে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর দুটি প্যানেল জমা পড়েছে। নন্দীগ্রাম এক ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি স্বদেশ দাস গোষ্ঠীর একটি অপরদিকে তমলুক সাংগঠনিক জেলা নব নিযুক্ত চেয়ারম্যান পীযূষ ভুঁইঞার গোষ্ঠীর।
এলাকায় উত্তেজনা থাকায় ব্যাপক পুলিশি প্রহরার ব্যবস্থা করা হয়েছে।নন্দীগ্রামের গুমগড় হাই মাদ্রাসা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিচালন কমিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা চরমে। প্রথমে কথা কাটাকাটি, পরে সংঘর্ষ। এই ঘটনায় একজন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছেন। আহত ব্যক্তির নাম রফিকুল গাজি। এখানে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে গণ্ডগোল হয় অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে।
এখানে ১৮ জন প্রতিনিধি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন কিন্তু আসন সংখ্যা ৬। যার মধ্যে ৫ জন পুরুষ ও একটি মহিলা আসন সংরক্ষিত।
জানা যাচ্ছে, স্কুলের এলাকা অর্থাৎ দাউদপুর থেকে তমলুক সাংগঠনিক জেলা নব নিযুক্ত চেয়ারম্যান পীযূষ ভুঁইঞার নেতৃত্বে একটি প্যানেল দেওয়া হয়েছিল। আবার ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি স্বদেশ দাসের তরফে আলাদা প্যানেল দেওয়া হয়। সিপিএমের তরফে প্রতিনিধি দেওয়া হয়। বিজেপি কোনও প্রতিনিধি দেয়নি। এদিন সকালে স্কুলে পাশাপাশি ক্যাম্প করা হয়েছিল। তৃণমূলের দু’পক্ষ একে অপরের উদ্দেশে কটাক্ষ করলেই, উত্তেজনা বাড়ে। কথা কাটাকাটি হাতহাতির চেহারা নেয়। তা থেকেই উত্তেজনা ছড়ায়। এখন এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এই নিয়ে অবশ্য স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেউ কোনও প্রতিক্রিয়া দেবেন না বলে জানিয়েছেন।






