Select Language

[gtranslate]
৫ই চৈত্র, ১৪৩২ বৃহস্পতিবার ( ১৯শে মার্চ, ২০২৬ )

সঙ্গতিহীন সম্পত্তি বৃদ্ধির মামলাঃসহযোগিতার আশ্বাস শিশির-শুভেন্দু-দিব্যেন্দুর

সঙ্গতিহীন সম্পত্তি বৃদ্ধির মামলায় তদন্ত হলে পূর্ণ সহযোগিতা করার আশ্বাস দিলেন কাঁথির শান্তিকুঞ্জের বাসিন্দারা।

২০০৬ সালের ওই মামলাটি আদতে হয়েছিল বাংলার ১৯ জন তৃণমূল নেতা-নেত্রীদের অস্বাভাবিক হারে সম্পত্তি বৃদ্ধির অভিযোগ নিয়ে।এর পরেই গত ১৮ আগস্ট বাংলার ১৭ জন রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীর সম্পত্তি বৃদ্ধির অভিযোগ নিয়ে মামলা হয়। এঁঁদের মধ্যে বিরোধী দলের ১৫ জন। বাকি দু’জন কাঁথির সাংসদ শিশির অধিকারী ও তমলুক লোকসভা কেন্দ্রের দিব্যেন্দু অধিকারী খাতায়-কলমে শাসক দলের নেতা হলেও দলের সঙ্গে সে ভাবে যোগাযোগ নেই।

সংবাদ সংস্থার দাবি ২০২১ সাল পর্যন্ত নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বেড়েছে যথাক্রমে ৮৬৭ শতাংশ ও ১২৮ শতাংশ।তাঁর ভাই তমলুকের সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারীর স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বেড়েছে যথাক্রমে ৬৪৫ শতাংশ ও ৫৮ শতাংশ। 

আর দুই ছেলেকে ছাপিয়ে প্রবীন সাংসদ শিশির অধিকারীর সম্পত্তি বৃদ্ধি হয়েছে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি দুই ক্ষেত্রে যথাক্রমে ৬২১৩ শতাংশ ও ৩৫৬৮ শতাংশ। তাঁর স্ত্রীর গায়ত্রী অধিকারীর সম্পত্তির পরিমাণ বেড়েছে ১৭৩৮ শতাংশ ও ৩০০ শতাংশ। 

বিরোধী দলের নেতা নেত্রী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের অস্বাভাবিক আকারে সম্পত্তি বৃদ্ধির বিষয়ে উচ্চ আদালতে জনস্বার্থ মামলাটি দায়ের করেছেন সুজিত গুপ্ত। প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটি হয় ।

সঙ্গতিহীন সম্পত্তি বৃদ্ধির মামলায় শিশির-দিব্যেন্দু ছাড়াও অভিযুক্তদের তালিকায় নাম আছে শুভেন্দু অধিকারী, মহম্মদ সেলিম, আব্দুল মান্নানের মতো ওজনদার নেতাদেরও। মঙ্গলবার তাঁদের আইনজীবীরা আদালতকে জানিয়ে দিলেন, তাঁরা এই অভিযোগের তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।

Related News