বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজতেই পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর বিধানসভা কেন্দ্রে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা। দীর্ঘদিনের দ্বিমুখী লড়াইয়ের চেনা ছক ভেঙে এবার নজর কাড়ছে জূপ বিশেষ করে তৃণমূল ও বিজেপির মতো হেভিওয়েট পক্ষগুলোকে কড়া চ্যালেঞ্জ জানাতে কোমর বেঁধে নেমেছে তারা।
আহাত আলির মনোনয়নে জনজোয়ার
আজ পটাশপুরে এক বর্ণাঢ্য মিছিলের মাধ্যমে মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন জনতা উন্নয়ন পার্টি-র প্রার্থী তথা পরিচিত নেতা আহাত আলি। এক সময় তৃণমূলের প্রথম সারির নেতা হিসেবে পরিচিত আহাত আলির এই পদক্ষেপে স্থানীয় রাজনীতির সমীকরণ অনেকটাই বদলে গেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় আহাত আলির সমর্থনে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। কয়েক হাজার জনতা উন্নয়ন পার্টির সমর্থক ও সাধারণ মানুষ মিছিলে পা মেলান। সমর্থকদের দাবি, পটাশপুরের মানুষ এবার বিকল্প শক্তির সন্ধানে রয়েছে এবং আহাত আলিই সেই আস্থার মুখ।
পটাশপুরে বরাবরই তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। কিন্তু এবার জনতা উন্নয়ন পার্টির এই উত্থান দুই শিবিরের ভোটব্যাঙ্কেই থাবা বসাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।ঘরের ছেলে আহাত আলি দল ছাড়ায় তৃণমূলের সংখ্যালঘু ও নিচুতলার ভোটব্যাঙ্কে কতটা প্রভাব পড়বে, তা নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে।
বিরোধী ভোট ভাগ হয়ে গেলে তার সুবিধা বিজেপি পাবে নাকি জনতা উন্নয়ন পার্টির কাছে ভোট হারাবে, তা নিয়েও চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।
পটাশপুরের নির্বাচনী লড়াই এখন আর কেবল ‘ফুল’ বনাম ‘পদ্ম’-এ সীমাবদ্ধ নেই। জূপ-এর এই প্রবেশ এবং আহাত আলির সমর্থনে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আগামী দিনে পটাশপুরের লড়াইকে কোন দিকে নিয়ে যায়, এখন সেটাই দেখার।





