Select Language

[gtranslate]
৫ই চৈত্র, ১৪৩২ বৃহস্পতিবার ( ১৯শে মার্চ, ২০২৬ )

পশ্চিমবঙ্গ ক্ষেতমজুরি সমিতি ও শ্রমজীবী মহিলা সমিতি কর্মীদের আক্রমণের প্রতিবাদে ডেপুটেশন

প্রদীপ কুমার সিংহ

  পশ্চিমবাংলা ক্ষেতমজুরি সমিতি ও সমযোজীবী মহিলা সমিতির কর্মীদের উপর আক্রমণের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার দুপুরে বারুইপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপারের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেয়, সংস্থার পক্ষ থেকে।

মূলত এই সংস্থা ১০০ দিনে কাজের শ্রমিক নিয়োগের জন্য কুলতলী থানা অন্তর্গত চুপৃ সারা গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনে কটিহারানিয়া বাজারে কাছে গ্রামে শ্রমজীবী মহিলা সমিতির কর্মী ১০০ দিনের কাজের জন্য কর্মী নিয়োগের ফর্ম ফিলাপ করছিল এমন সময় সেখানে গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কণিকা ভূঁইয়ার স্বামী পবন ভূঁইয়া সহ কয়েকজন তৃণমূল কংগ্রেসে কর্মী এসে তাদের বাধা দেয় এবং গালিগালাজ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে সমিতির কর্মী বাসনা সর্দারকে ও ভাস্কর তুঙ্গকে। এবং শারীরিক আক্রমণ করে বলে অভিযোগ। কুলতলী থানার অধীনে আউট পোস্টে পুলিশ ফাঁড়ির গিয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করে বাসনা সরদার এদের বিরুদ্ধে পবন ভূইয়ারা। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ বাসনা সরদার ও ভাস্কর তুঙ্গ কে থানায় ডেকে পাঠায়।

পুলিশের সঙ্গে বাসনা সরদার ও ভাস্কর তুঙ্গ ওই ফাঁড়িতে যায় ২৩ শে নভেম্বর ২০২৫ তারিখে বিকাল পাঁচটার সময়। বাসনা ও ভাস্কর থানার বড়বাবু সঙ্গে দেখা করতে চাইলে তাদেরকে সাড়ে সাতটা আটটা পর্যন্ত তাদের বসিরহাটে থানায় তারপর তাদের মুজলিকা লিখিয়ে নেয় পবন ভূঁইয়া ও তার সাথে যারা ছিল তাদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ জানাবে না। ভয়েতে তারা মুজলেকা লিখে দেয় পরে বাড়িতে ফেরত যায়।

আরেকটি ঘটনা গত একুশে নভেম্বর 2025 তারিখে শ্রমজীবী মহিলা সমিতির একজন সক্রিয় স্বেচ্ছাসেবক মহিলা খাদিজা খাতুন নামখানা থানার অন্তর্গত চন্দ্রনগর গ্রামে একটি বাড়িতে স্থানীয় মানুষের অনুরোধে গৃহ ও দাম্পত্য সংক্রান্ত বিরোধ নিস্পত্তি অনুষ্ঠানে মধ্যশিক্ষা করার উদ্দেশ্যে উপস্থিত ছিলেন।

খাদিজা সহ সমজীবী মহিলা সমিতি আরো ছয় জন সদস্য ওই সমিতি অভিযোগকারী মহিলা বাড়িতে সাড়ে ছটায় প্রবেশ করে কথাবার্তা শুরু হয় ওই সময় অভিযোগকারী মহিলা স্বামী তিনি সাত মাইল বাজার কমিটির চেয়ারম্যান

কিছু গুন্ডার ডেকে পাঠায়। মহিলা মহিলা সমিতিতে অভিযোগকারী মহিলার বিরুদ্ধে তারা অশ্লীল ভাষায় ব্যবহার করেন এবং হুমকি দেন তারা ।খাদিজা খাতুনকে হুমকি দেয় অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করে পাঁচ মিনিট পর পুলিশ এসে পৌঁছায় সমিতির কর্মীদের ও মহিলাদের অযৌক্তিকভাবে নামখানা থানায় নিয়ে যায়। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা থেকে সারা রাত্রি খাদিজা খাতুনকে বিনা কারণে জোরপূর্বক থানায় বসিয়ে ডাকা হয় কোন গ্রেপ্তার মর্ম ছাড়া মহিলাকে থানায় আটক করে রাখার সম্পূর্ণ বেআইনি ওই সময় খাদিজার ব্যক্তিগত মোবাইল সেট পুলিশ কেরে নেন। এমনকি খাদিজার পরিবার বা পরিচিতি কারোর সঙ্গে যোগাযোগ করার সুযোগ দেন নাই যা সংবিধান মৌলিক অধিকার পরিপন্থী খাদিজা খাতুন বারবার অনুরোধ করে পুলিশকে সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে যোগাযোগ করতে চান কিন্তু কোন কথা শোনেন নাই খাদিজার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন ও মনগড়া একটি মামলার রুজু করে খাদিজাকে জানানো হয়নি যে কেন কোন ধারায় অপরাধে তার বিরুদ্ধে এই মামলা হলো। যেটা জানা যাচ্ছে সমুদ্র জিবি ওই মহিলার সমিতির সদস্য দীর্ঘদিন ধরে গ্রামাঞ্চলে অবৈধ মদ বিক্রি মত সংস্কৃতি ও জোয়ার বিরুদ্ধে আন্দোলন করে আসছে তার জন্যই রাজনৈতিক নেতারা ক্ষুব্ধ ছিল আর এই আন্দোলনে খাদিজা খাতুন সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। স্পষ্ট ভাষায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার চরিতার্থ করতে খাদিজা খাতুনকে ষড়যন্ত্র করে বিদ্বেষ মূলক মামলায় ফাঁসানো হয়েছে গত একুশে নভেম্বর ২০২৫ তারিখে। তারই প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বারুইপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপারের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেন। এই মর্মে বারুইপুর প্রেসক্লাবে এই দিন দুপুরে একটি সাংবাদিক বৈঠক করে পশ্চিমবাংলা খেতমজুর সমিতি ও শ্রমজীবী মহিলা সমিতি সহ ১০ টি রাজনৈতিক দলে নেতা-নেত্রীরা।

Related News