Select Language

[gtranslate]
২৫শে ফাল্গুন, ১৪৩২ মঙ্গলবার ( ১০ই মার্চ, ২০২৬ )

কাঁথি শহর জুড়ে উচ্ছৃঙ্খল যুবকদের বাইকের দাপাদাপিতে প্রাণ ওষ্ঠাগত বাসিন্দাদের

শান্তির শহর কাঁথি।সেই শান্তির শহরে এক শ্রেনীর উচ্ছৃঙ্খল যুবকের নিয়ন্ত্রনহীন দ্রুত গতির বাইকের দাপাদাপি নিত্যদিন বেড়েই চলেছে।এর সাথে কোন কোন বাইকের গগনভেদী প্রচন্ড শব্দে নাজেহাল শহরের আট থেকে আশি সকল বয়সের নারী-পুরুষ।

 

তারপরেও আশ্চর্য জনক ভাবে নীরব দর্শকের ভূমিকায় পুলিশ প্রশাসন।হেলদোল নেই স্থানীয় স্তরের জনপ্রতিনিধিদেরও !

 

নিত্যদিন কাঁথি পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে,শহর সংলগ্ন এলাকায় ঘটে চলেছে ছোট বড় দুর্ঘটনা।এর বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই দুর্ঘটনার কারন এই ধরনের বাইক গুলো।এর জেরে ছোট খাটো আহত হওয়ার পাশাপাশি মৃত্যুও ঘটে চলেছে প্রায় প্রতিদিন।

 

তারপরেও আশ্চর্য জনক ভাবে নীরব দর্শকের ভূমিকায় পুলিশ প্রশাসন।হেলদোল নেই স্থানীয় স্তরের জনপ্রতিনিধিদেরও !

 

কাঁথি শহরের ছোট-বড় সামাজিক সংগঠন,নাগরিক সমাজও কোন প্রতিবাদ আন্দোলন গড়ে না তোলায় এই সকল একশ্রেনীর উচ্ছৃঙ্খল যুবকের পোয়াবারো হয়ে গেছে।ফলে সমস্যায় পড়ছেন সাধারন মানুষ।

 

শহরের কোন কোন পাড়ায় সেখানকার বাসিন্দারা আবার এই ধরনের বাইকের যাতায়াত রুখতে নিজেরাই রাস্তার উপরে ৫-৬টা বাম্প বসিয়েছেন।এতে গতি নিয়ন্ত্রন হলেও বাইকের সাইলেন্সার খোলা গগন ভেদী প্রাণ ওষ্ঠাগত করা আওয়াজ বন্ধ করা যায়নি।ফলে বাড়ির ভেতরে থেকেও আচমকা আওয়াজে ভয়ের শিকার হচ্ছে ছোট শিশু থেকে বয়স্করা।

 

বাইকের এই অত্যাচার থেকে মুক্তি চায় কাঁথির মানুষ।শহরের বাসিন্দা যে কোন মানুষের সাথে কথা বললেই তা সহজে বুঝতে পারা যায়।তারপরেও এই সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ গ্রহন করতে পারবে কি পুলিশ প্রশাসন-জনপ্রতিনিধিরা ?

Related News

Also Read