প্রদীপ কুমার সিংহ :- বারুইপুর আমতলা রোডে টংতলায় নাকা চেকি এর সময় একটি অশোক লেল্যান্ড কোম্পানির DOS7 মডেলের গুড ভিকেল গাড়িকে সন্দেহ জনকভাবে আটক করে তল্লাশি চালায়। গাড়িটিতে তল্লাশি চালিয়ে শুকনো মাদক দ্রব্যের ১১৭ টি প্যাকেট উদ্ধার করে বারুইপুর থানার পুলিশ। যার ওজন আনুমানিক ১২০ কিলো, আনুমানিক দাম প্রায় ১৪ লক্ষ টাকা। ঘটনায় তিনজন জড়িত থাকলেও দুজনকে গ্রেফতার করেতে পেরেছে বারুইপুর থানার পুলিশ। গ্রেপ্তার দুই ব্যক্তির একজন মগরাহাট থানার রায়নগর এলাকার বাসিন্দা রাজ্জাক ঢালি, অপরজন বাংলার মোড় পদ্মের হাটের আরিফ হোসেন মন্ডল। বারুইপুর থানার আইসি সৌমজিৎ রায়ের নেতৃত্বে এই বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধারের সাফল্যে খুশি সকলে।
বারুইপুর থানা এলাকার বিভিন্ন জায়গায় পুলিশের নাকা চেকিং চলে বিভিন্ন সময়। তেমনি বারুইপুর থানার অন্তর্গতলা টংতলা এলাকায় বুধবার সকাল থেকে নাকা চেকিং চালাচ্ছিল বারুইপুর থানার পুলিশ।দুপুরে নাকা চেকিং চলাকালীন সন্দেহজনক গাড়ি গুলিতে তল্লাশি চালাচ্ছিল পুলিশ। ছোট হাতি গাড়িতে থাকা লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় কথার অসঙ্গতি দেখা দিলে, গাড়িটির প্রতি সন্দেহ বাড়ে পুলিশের। গাড়ির পেছনে থাকা এক ব্যক্তি পুলিশ দেখেই চম্পট দেয়। গাড়িটিকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর সন্দেহ জোরালো হয়। একদম সিনেমার মতো কায়দায় গাড়ির বডিটিকে বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে। গাড়ির বডির উপরের অংশ ফাঁকা থাকলেও,নিচে সুন্দরভাবে সাজানো ছিল ১১৭ টি প্যাকেট মাদকদ্রব্য। যা দেখে সাধারণভাবে কোনরকম সন্দেহ হওয়ার কথা নয়। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না। বারুইপুর পুলিশ জেলার দক্ষ পুলিশ অফিসারদের চোখকে ফাঁকি দিতে পারল না। ধরা পড়ে গেল আনুমানিক ১৪ লক্ষ টাকা মূল্যের শুকনো নেশার বস্তু, যা গাঁজা বলেই মনে করা হচ্ছে। ধৃত ব্যক্তিদের পুলিশের পক্ষ থেকে আগামী শনিবার আলিপুর আদালতে তোলা হবে।






