ভোট পর্ব শেষ হতে না হতেই আবার খেজুরিতে বিজেপির তাণ্ডব। সিপিআইএম কর্মীদের বাড়ি আক্রমণ ও ঘরবাড়ি ভাঙচুর শুরু করছে। গতকাল রাত ৯,৩০ মিনিট নাগাদ বিজেপির সুভাষ গায়েনের নেতৃত্বে একদল দুষ্কৃতকারী
খেজুরি বিধানসভা এলাকার খেজুরি গ্রাম পঞ্চায়েতের বাড় কশাড়িয়া গ্রামের সিপিআইএম কর্মী– মলয় আড়ি, সুমন্ত আড়ি, রতন দাসেদের হুমকি দেয় ঘর বাড়ি ঘিরে আক্রমন করে। বাড়ির চালা ও বাইরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে।এদের অপরাধ এরা বাম ও কংগ্রেসের প্রার্থী উর্বশী ব্যানার্জীর হয়ে ভোটের প্রচারে যুক্ত হয়েছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ গভীর রাত্রে আসলে পর পরিবারের লোকজন তাদের আতঙ্কের কথা তুলে ধরেন। কিন্ত সকালবেলা স্থানীয় বিজেপি নেতা চম্পক মন্ডলের নেতৃত্বে কতিপয় ব্যক্তির এসে পরিবারের লোকজনদের থানা পুলিশ না করে চেপে যাওয়ার জন্য বলে। এই ভয়ে পরিবারের লোকেরা থানায় যেতে পারেনি। এদিকে স্থানীয় বিজেপির কল্যাণ গায়েন নামে একজন যুব মন্ডলের ভাইস প্রেসিডেন্ট বলে নিজেকে পরিচয় দিয়ে এই সব ঘটনা ঘটেনি বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও বার্তা দিয়ে সিপিআইএম নেতৃত্বদের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। যদিও এই ব্যক্তির সম্পর্কে এলাকায় বহু মানুষের ক্ষোভ রয়েছে।এই গ্রামে কল্যান মন্ডলের অপরাধমূলক কাজের জন্য সে এবং তার বাবা সুভাষ গায়েন ৬ মাস আগে জেল খেটে জামিনে আছেন কিন্তু কোর্টে মামলা চলছে।
ঐদিন রাত্রে খেজুরি -২ এরিয়া কমিটির সম্পাদক রত্নেশ্বর দোলুইর বাড়ির চারপাশে কতিপয় দুষ্কৃতিকারীরা ঘিরে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করেছিল। এই ঘটনা দুদিন আগে রত্নেশ্বর দোলুইকে ফোনে হুমকি দেয় নাম না বলা এক দুষ্কৃতকারী। এ নিয়ে থানায় ও নির্বাচন কমিশনে জানানো হয়েছে। এই সব ঘটনা যাতে বন্ধ হয় তার জন্য সিপিআইএম নেতৃত্ব গন প্রশাসনের কাছে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
এই খেজুরিতে ২০০৯ থেকে তৃণমূলীরা খুন , সন্ত্রাস ও আক্রমণ করে খেজুরির মানুষের চরম সর্বনাশ করেছে।এখন আবার তৃনমূল কে জব্দ করার নামে খেজুরিতে বিজেমূল তৈরী হয়ে মানুষ কে ভূল বুঝিয়ে কিছু গ্রাম পঞ্চায়েত ও খেজুরী বিধানসভার আসনে জয় লাভ করে, ক্ষমতাধর বিজেপিও একই কায়দায় একই কাজ শুরু করছে। তৃণমূলকে জব্দ করার নামে সিপিআইএমকে শেষ করার পরিকল্পনা নিয়েছে।
এই ঘটনা তীব্র নিন্দা প্রকাশ করে অপরাধীদের শাস্তির দাবি করেছেন সিপিআইএম নেতা হিমাংশু দাস। তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানিয়েছেন বাম ও কংগ্রেসের প্রার্থী উর্বশী ব্যানার্জি।






