Select Language

[gtranslate]
৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ রবিবার ( ১৪ই জুন, ২০২৬ )

বেঙ্গল রেপার্টরীর নিবেদনে
‘নাট্য-ধারা’ অভিনয়নের উৎসব।

কেকা মিত্র :- বেঙ্গল রেপার্টরী -র আয়োজনে পশ্চিম বর্ধমান এর সাতকাহনিয়ায় তেপান্তর নাট্যগ্রামে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো তাদের ষষ্ঠ নাট্য উৎসব ২৮ থেকে ৩১ এ মার্চ ২০২৪।
২৮ তারিখ শুক্রবার উৎসবের উদ্বোধন করেন বিখ্যাত মূকাভিনয় শিল্পী দেব কুমার পাল এবং নাট্য নির্দেশক কল্লোল ভট্টাচার্য। মঞ্চে ছিলেন বেঙ্গল রেপার্টরীর প্রধান সুমন সাহা।
২৯ মার্চ ২০২৪ শুক্রবার উৎসবের দ্বিতীয়দিন পরিবেশিত হয় ‘এ জার্নি থ্রু সাইলেন্ট রিফ্লেকশন্’ (মাইম), পরিবেশনায় ছিলো দমদম এমবডি। পরিচালনা দেব কুমার পাল। দ্বিতীয় নাটক মঞ্চস্থ হয় হিন্দিতে ‘সাধো ইয়ে মুর্দো কা গাঁও’ নাটকটি পরিবেশন করে মৌলালী রঙ্গশিল্পী। পরিচালনা ছিলেন প্লাবন বসু।
উৎসবের তৃতীয়দিন ৩০ মার্চ শনিবার মঞ্চস্থ হয়
‘নন-থিয়েট্রিকাল’ (নির্বাক)। পরিবেশনায় ছিলো নারকেলডাঙা স্বপ্নিল সাংস্কৃতিক সংস্থা। নির্দেশনায় ছিলেন প্রীতম চক্রবর্তী।ঐদিন দ্বিতীয় নাটক ছিলো ‘নকশী কাঁথার মাঠ’।

পরিবেশনায় এবং পরিচালনায় ছিলো যাদবপুর মন্থন ও রাজীব বর্ধন। এই দিন সংবর্ধনা জানানো হয় কলকাতার দুই নাট্য
আলোচক এবং সাংবাদিক কেকা মিত্র এবং ইন্দ্রজিৎ আইচ কে। দলের পক্ষে তাদের উত্তরীয় ও মেমেন্ট দিয়ে বরণ করেন উৎসব আয়োজক সংস্থার প্রধান নির্দেশক সুমন সাহা এবং সাত কাহনিয়া তেপান্তর নাট্য গ্রাম ও এবং আমরা নাট্য দলের কর্ণধার কল্লোল ভট্টাচার্য্য ।উৎসবের শেষদিন ৩১ মার্চ ২০২৪ রবিবার সন্ধ্যায
মঞ্চস্থ হয় হিন্দি নাটক‘হরিয়া হারকিউলিস কি হয়রানি’
এই নাটকটি মঞ্চস্থ করে আকর্ষনম জন কল্যান সমিতি, ভোপাল; নির্দেশনা আমন কুমার সিং। উৎসবের শেষ নাটক ছিলো ‘এবং আমরা’ নাট্য দলের নাটক ” প্রথম রঙ্গ “। নির্দেশনায় ছিলেন কল্লোল ভট্টাচার্য্য। এই উৎসবের চারদিন কথাবলা পুতুল (ভেন্ট্রিলোকুইস্ট)নিয়ে অনবদ্য সঞ্চালনায় ছিলেন সম্রাট রায়।
এই চারদিনের উৎসবে নাটক দেখতে দর্শকদের ভিড় ছিলো নজর কারার মতন।

Related News

Also Read