Select Language

[gtranslate]
২৭শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বুধবার ( ১০ই জুন, ২০২৬ )

।। নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছে তৃণমূলের নেতারাইঃ প্রলয় পাল ।।

গত বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নন্দীগ্রামে হারানোর পেছনে ছিলো তৃনমূলের নেতারাই। বিস্ফোরক দাবি করলেন বিজেপি নেতা প্রলয় পাল।

নন্দীগ্রামের এই বিজেপি নেতার দাবি সাধারণ মানুষ নয়, একুশের বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বেইমানি করেছিলেন নন্দীগ্রামের একাংশ তৃণমূল নেতা৷ সে কারণেই রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তে মমতার নামে তৃনমূল প্রার্থীরা জয়ী হলেও খোদ মুতাকেই নিজের আসনে হারতে হয়েছিল৷

বিধানসভা নির্বাচনের প্রায় দু’বছর পর এবং পঞ্চায়েত নির্বাচন যখন প্রায় দোরগোড়ায় সেই সময়ে শুক্রবার এমনই বিস্ফোরক দাবি করেছেন বিজেপির তমলুক সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি প্রলয় পাল।

বিজেপি নেতা প্রলয়ের দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নন্দীগ্রামে বিজেপি হারায়নি। নিজের দলের কিছু নেতা-নেত্রীর জন্যই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে হেরেছেন। উনি গাদা গাদা টাকা দিয়েছিলেন, আর তৃণমূলের নেতারা সেই টাকা নিজেদের কাছে রেখে দিয়েছিল। প্রলয় বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছে এই মহাদেব বাগ, পরিতোষ জানা ও শেখ সুফিয়ানরা। মমতার পরাজয়ে বিজেপির কোনও ভূমিকা ছিল না। বিজেপি শুধু নির্বাচনী লড়াই টা দিয়েছে ।


উল্লেখ্য নন্দীগ্রামে তৃণমূলের অন্যতম দক্ষ সংগঠক হিসেবে পরিচিত ছিলেন প্রলয়৷এলাকাবাসীর দাবী শুভেন্দুর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় একসময় দলবদলে বিজেপিতে নাম লিখিয়েছিলেন৷ একুশের বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রামে মুখোমুখি লড়াই হয় মমতা বন্দোপ্যাধ্যায় বনাম শুভেন্দুর৷ সেই সময় মমতা প্রলয়কে ফোন করে ভোটে তাঁর সাহায্য চেয়েছিলেন বলে দাবি করেছিলেন প্রলয়৷ ভাইরাল হয়েছিল একটি অডিও ক্লিপ৷ যাতে প্রলয়ের কাছে ভোটের সময় সাহায্য চাইতে শোনা গিয়েছিল তৃণমূল নেত্রীকে৷ তবে ভোটের মুখে প্রলয়ের ওই অডিও ক্লিপিংস জেলা তো বটেই রাজ্য রাজনীতিতেও শোরগোল ফেলে দিয়েছিল৷

প্রলয়ের এই বিস্ফোরক দাবির পরে এখনো
এই বিষয়ে তৃণমূলের নন্দীগ্রামের নেতা শেখ সুফিয়ান কিংবা দলের রাজ্যস্তরের কোনও নেতার প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি৷

Related News

Also Read