Select Language

[gtranslate]
২৭শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বৃহস্পতিবার ( ১২ই মার্চ, ২০২৬ )

খেজুরীর বাম শিক্ষক নেতা প্রয়াত

খেজুরি ২ ব্লকের জনকা গ্রাম পঞ্চায়েতের ফুলবাড়ি গ্রামের শিক্ষক নেতা কমরেড কানাই দাস আজ সকাল ৬টায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তার নিজ বাসভবনে।

মৃত্যুকালে বয়সে ছিল ৭২ বছর । গত দু মাস কাল তিনি অসুস্থ ছিলেন। গতকাল হাসপাতাল থেকে বাড়িতে আসেন কিন্তু রাত্রে আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং সকালেই সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়। তিনি নিখিল বঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির রাজ্য, জেলা নেতৃত্ব ছিলেন।খেজুরী দক্ষিণ চক্রের দীর্ঘ সময় ধরে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন। অবিভক্ত জেলারশিক্ষক আন্দোলনের সাথে সাথে তিনি কৃষক আন্দোলনের সঙ্গে ও যুক্ত ছিলেন। তিনি ১৯৭৭

সাল থেকে খেজুরী এলাকার জমি ,মজুরির আন্দোলনের সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন। খেজুরির প্রত্যন্ত এলাকায় তিনি লড়াই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এলাকার গরিব খেতমজুর সাধারণ মানুষকে সংগঠিত করেছিলেন। তিনি পান চাষি সংগঠনের নেতৃত্ব ছিলেন। রাজ্য কমিটির ও সদস্য ছিলেন।১৯৯৮ সালে পার্টি সদস্য পদ লাভ করেন। ২০০৯ সালে খেজুরিতে তৃণমূলী সন্ত্রাসের ফলে তিনি ঘর ছাড়া ছিলেন এবং তাঁর উপর অবর্ণনীয় অত্যাচার হয়েছে তা সত্ত্বেও তিনি দমে যাননি। পরে এলাকায় ফিরে পার্টি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সাহসের সঙ্গে কাজ করে গেছেন।

বর্তমান সময়ে অসুস্হ থাকার কারণে পার্টির কাজে তেমন যুক্ত হতে না পারলেও প্রতিনিয়ত পার্টির খোঁজখবর রাখতেন এবং পার্টির মুখপত্র গণশক্তি পত্রিকার গ্রাহক ছিলেন।

তাঁর মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। কমরেডের স্ত্রী ও ১ ছেলে, ৩ কন্যা বর্তমান।

কমরেড এর মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে খেজুরির পার্টি নেতা– রত্নেশ্বর দোলুই, প্রদীপ মণ্ডল, অশনি পাত্র, মনোজ দাস, জবেদ মল্লিক, শ্রীমন্ত দাস সহ বহু শিক্ষক , পার্টি সমর্থক, দরদী, নেতৃত্ব গন তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান।

পার্টি নেতা হিমাংশু দাস তাঁর মৃত্যুতে শ্রদ্ধা জানান এবং পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

Related News

Also Read