প্রদীপ কুমার সিং :- বাড়িতে একা পেয়ে বৄদ্ধের গলার ছুরি ঠেকিয়ে তার হাত-পা ও মুখ বেঁধে ডাকাতির ঘটনা ঘটল নরেন্দ্রপুর থানা এলাকার মিশনপল্লীতে ৷ বাড়ির গাড়িচালকের পরিকল্পনাতেই ডাকাতির এই ছক বলে জানা গিয়েছে ৷ ঘটনায় গাড়িরচালক সহ গ্রেফতার মোট দুই জন পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে ৷জানা গেছে বৄদ্ধের উপস্থিত বুদ্ধির জেরেই ঘটনার পরেই স্থানীয় বাসিন্দাদের হাতে ধরা পড়ে এক দুষ্কৃতী ৷ বাকিদের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ ৷
জানা গেছে সোনারপুরের মিশনপল্লীর বাসিন্দা বৄন্দাবন সিংহ রায় (৬৭) ৷ দিল্লীতে একটি বেসরকারী সংস্থায় কর্মরত ছিলেন ৷ বাড়িতে তিনি ছাড়াও থাকেন তার স্ত্রী ও পুত্র ৷ ছেলে সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের অধ্যাপক ৷ এক আত্মীয়ের বিয়ে উপলক্ষ্যে তার স্ত্রী ও ছেলে বর্ধমানে গিয়েছিলেন ৷ বাড়ি ফাঁকাই ছিল ৷ বাড়ির মেন গেটও খোলা ছিল ৷
নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে দুষ্কৄতীরা পায়ে হেঁটে আসে যাতে কারোর কোনও সন্দেহ না হয় ৷ বৄন্দাবনবাবু জানান তিনি দুপুরে স্নান সেরে পুজো করছিলেন ৷তারপর পুজো সেরে যখন খেতে যাওয়ার তোড়জোড় করছিলেন সেইসময় আচমকা দুজন এসে তার গলায় চাকু ধরে ৷ তাদের মুথ ঢাকা ছিল বলে জানা গিয়েছে ৷ বৄদ্ধের হাত ও মুখ বেঁধে পুরো ঘর তছনছ করে ৷ প্রায় ৩ লক্ষ টাকার মত নগদ, একশো গ্রাম সোনার গয়না নিয়ে চম্পট দেয় তারা ৷ প্রায় ঘন্টা দুয়েক ধরে চলে এই অপারেশন ৷
দুষ্কৄতিরা পালিয়ে যেতেই কোনওরকমে মুখের কাপড় খুলে চিৎকার শুরু করেন বৄদ্ধ ৷ তাই শুনে এগিয়ে আসেন প্রতিবেশীরা ৷ তারাই তাকে উদ্ধার করেন ৷ তারপর বৄদ্ধের কথা শুনে দুষ্কৄতিদের সন্ধানে তল্লাশি শুরু করে এলাকার কিছু যুবক ৷ যেহেতু তারা পায়ে হেঁটে এসেছিল একজনকে ধরে ফেলে ৷ তার নাম নাজমুল হোসেন শেখ ৷ তার বাড়ি ক্যানিং এলাকায় বলে জানা গিয়েছে ৷ তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে কিছু সোনার গয়না ৷ এছাড়া গ্রেফতার করা হয়েছে বাড়ির গাড়িচালককেও ৷ ধৄত দুজনকেই আজ বারুইপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হবে ৷ এই ঘটনায় বাকিদের সন্ধানে তল্লাশি চলছে বলে জানিয়েছেন বারুইপুর পুলিশ জেলার ডেপুটি পুলিশ সুপার মোহিত মোল্লা ৷






