পথচলতি সাধারন মানুষের জীবন সংশয়ের পরিস্থিতি তৈরী করে শুভেন্দু অধিকারীর প্রচন্ড গতিতে যাতায়াতে রাশ টানার দাবিতে এবার আন্দোলনে নামলেন তাঁর এলাকার বাসিন্দারা।আর এর সুত্রপাত বেতালিয়ার কাছে রাজ্যের বিরোধী দলনেতার গাড়ী দুর্ঘটনার কবলে পড়ার জেরে ।
ঘটনাটা সোমবার বিকেল ।এদিন সাড়ে চারটা নাগাদ কাঁথির শান্তিকুঞ্জ বাড়ি থেকে বের হন শুভেন্দু অধিকারী। বাড়ি থেকে বেরিয়ে তমলুকের দিকে যাওয়ার পথে দিঘা নন্দকুমার ১১৬বি জাতীয় সড়কের বেতালিয়া ঢোকার মুখে একটি মাল বোঝাই লরির সাইডে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ের একটি গাড়ী ধাক্কা মারে ।এই ধাক্কা মারার জন্য লরির আংশিক ক্ষতি হয়।রাস্তা দিয়ে যাওয়া দুই পথচারী কোন রকমে লাফিয়ে নিজেদেত প্রান বাঁচান। এর জেরে ক্ষিপ্ত হয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তা অবরোধ করায় যানজটের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে মারিশদা থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে ।
আন্দোলনকারী স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ শুভেন্দু অধিকারীর কনভয় প্রচন্ড গতিতে যাতায়াত করে । যে কারণে শুধুমাত্র এই রাস্তাতেই তিনবার অ্যাক্সিডেন্ট করেছেন । ফলে যেকোন সময়ে সাধারন মানুষের প্রাণ যাওয়ার আশংকা থাকে। আজও দুই জনের প্রান যেতে পারতো ।

আন্দোলনকারীরা প্রশ্ন করেছেন কেন তাঁদের আতংকে থাকতে হবে । শুভেন্দু অধিকারী কেন এতো গতিতে যাতায়াত করে সেই প্রশ্ন তোলেন বিক্ষোভকারীরা।তাঁরা রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরি,সৌমেন মহাপাত্র সহ বিভিন্ন ভিআইপিদের প্রসঙ্গ তুলে বলেন কোই এরা তো এতো গতিতে গাড়ি নিয়ে চলাচল করেন না ।অবিলম্বে শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ের গতি কমানোর দাবি তুলে দীর্ঘক্ষণ পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায়। পরে মারিশদা থানার পুলিশ এসে অবরোধকারীদের সরিয়ে দেন এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করেন
রবিবার নন্দীগ্রামে সমবায় সমিতির নির্বাচনে খাতা খুলতে না পারা এবং পরের দিন নিজের বাড়ির কাছে এভাবে বিক্ষোভের মুখে পড়া রাজ্যের বিরোধী দলনেতার কাছে রাজনৈতিক ঝটকা বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।






