।। স্বামী সারদেশানন্দ ।।
‘ [ মা ] নিজে যে সকল বস্ত্রাদি ব্যবহার করিতেন, তাহা সাধারণ মধ্যবিত্ত লোকেরই উপযোগী এবং যতদিন ব্যবহার করা চলিত তাহা ত্যাগ করিতেন না; এমনকি ব্যবহৃত বস্ত্ৰাদি সেলাই করিয়াও পরিতেন, যতদিন চলিত। নূতন মূল্যবান বস্ত্রাদি অকাতরে বিলাইয়া দিতেন।
‘ভক্তেরা অনেক সরু পাড়ওয়ালা কাপড় দেন তাঁহাকে [শ্রীশ্রীমাকে], তাঁহার নিজের সামান্যই প্রয়োজন, সেইসব অকাতরে বিতরণ করেন ছেলেমেয়েদের। ….কাহারও কাহারও কাপড় শীঘ্র ছিঁড়িয়া যায়, -মা তাহাকে বেশি কাপড় দেন। খাওয়া, জল খাওয়া সব ব্যাপারেই সর্বদা যে যেমন চায়, যার পেটে যেরূপ সয়, মা তাহাকে ঠিক সেইরকমই দেন। কী আশ্চর্য তীক্ষ্ণ দৃষ্টি ছিল মার, ভাবিয়া অবাক হই!
জয়রামবাটীতে বিভিন্ন স্থানের ভক্ত সমাগত হইলে মা রাঁধুনী মাসীকে ঠিক বলিয়া দিবেন, কে কি খাইবে, কত পরিমাণ; এমনকি রুটির সংখ্যা পর্যন্ত ! তাই, মায়ের বাড়িতে মায়ের কাছে খাইয়া সন্তানদের এত তৃপ্তি !
ঠাকুরের কথায় “মা ঠিক জানে,কোন্ ছেলের পেটে কি সয় !”
সৌজন্যে – শ্রীরামকৃষ্ণায়তে নমঃ






