এবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মহিষাদলের ১৫-২০ জন যুবককে সরকারী চাকুরী দেবার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারনা করার অভিযোগ উঠলো।এই ঘটনায় চাঞ্চল্য বেড়েছে ,কারন টাকা নিতে ব্যানহার করা হয়েছে
রাজ্যের শাসক দল তৃনমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারন সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম । চাকুরী দেবার প্রলোভন দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারনার অভিযোগ উঠলো সঞ্জয় পন্ডা নামের এক ব্যাক্তির বিরুদ্ধে।প্রতিশ্রুতি মত চাকুরী না পেয়ে এবং টাকা ফেরৎ না পাওয়ায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মহিষাদল থানায় অভিযোগ দায়ের হল। প্রতারণা শিকার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মহিষাদল থানার চন্ডিপুর গ্রামের সঞ্জীব মাইতি এই অভিযোগ করেছে।


গত ২০১৮ সালে ফেসবুকে কলকাতার দমদমের বাসিন্দা সঞ্জয় পন্ডার সঙ্গে যোগাযোগ হয় সঞ্জীবের। সঞ্জয় এর সঙ্গে দমদমে দেখা করে সঞ্জীব। রাজ্যের মন্ত্রী ফিরাদ হাকিম ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সঞ্জয়ের ভালো সম্পর্ক তাই সরকারি গ্রুপ ডিতে চাকরি হয়ে যাবে বলে প্রলোভন দেখায়। সেই কথা মত সঞ্জীব মাইতি কিছু লোক ঠিক করে পাশাপাশি নিজেও টাকা দেয় চাকরির জন্য।
সংবাদ মাধ্যমের কাছে সঞ্জীব মাইতি অভিযোগ কতেন তাদের যে ফর্ম ফিলাপ করতে দেওয়া হয়েছে তাতে বিশ্ববাংলার লোগো ছিলো। সঞ্জীব বলে বিশ্ববাংলা যেহেতু রাজ্য সরকারের লোগো তাই সবাই বিশ্বাস করেছি।
জানা গেছে সঞ্জীবকে দমদমে সঞ্জয় নিজের ফ্লাটে ডেকে ফর্ম দেয় এবং নগদ এক লক্ষ টাকা করে নেয়। দশজনের ফরম ফিলাপের পর আরো এক লক্ষ টাকা করে। এই ভাবে দফায় দফায় মোট ২১ লক্ষ টাকা দেয় সঞ্জীব। বিভিন্ন সরকারি অফিসে এবং বিকাশ ভবনে নিয়ে গিয়ে ইন্টারভিউ হয় কখনো সিড়ির তলায় কখনো সিঁড়ির ওপরে টেবিল রেখেই ইন্টারভিউ চলত। নানা অজুহাতেই কেটে যায় কয়েকটা বছর।
সমস্ত বিষয়টি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখে জানায় সঞ্জীব। এখনো পর্যন্ত কোনো সুরাহ হয়নি তাই মহিষাদল থানায় আজ এসে ওই সঞ্জয় পন্ডার নামে এফআইআর করে সঞ্জীব মাইতি।






