Select Language

[gtranslate]
৩রা চৈত্র, ১৪৩২ মঙ্গলবার ( ১৭ই মার্চ, ২০২৬ )

গ্রামীণ শিক্ষায় নতুন দিশা, প্রতিষ্ঠিত হলো প্রণবানন্দ বিদ্যামন্দির

ইন্দ্রজিৎ আইচ

গ্রামীণ শিক্ষা ও সামগ্রিক সামাজিক উন্নয়নকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুরে পদ্মশ্রী মামরাজ আগরওয়ালা ভবনে নবনির্মিত প্রণবানন্দ বিদ্যামন্দিরের উদ্বোধন করা হলো। এই অঞ্চলের শিশুদের জন্য শিক্ষার পরিসর বিস্তৃত ও সুসংগঠিত করতে ভারত সেবাশ্রম সংঘকে সহায়তা করেছে মামরাজ জয়ত্রী ফাউন্ডেশন।

প্রণবানন্দ বিদ্যামন্দিরের উদ্বোধন করেন ভারত সেবাশ্রম সংঘের সাধারণ সম্পাদক স্বামী বিশ্বাত্মানন্দ মহারাজ, উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় সমাজের সদস্যরা। ভবনটির নামকরণ করা হয়েছে পদ্মশ্রী মামরাজ আগরওয়ালার নামে, যাঁর সমাজসেবা ও মানবকল্যাণমূলক কাজের উত্তরাধিকার আজও শিক্ষা ও সমাজোন্নয়নের নানা উদ্যোগকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।

মামরাজ জয়ত্রী ফাউন্ডেশন ও মিনু প্রাইম শাড়ির যৌথ সহায়তায় এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়েছে, যা অবহেলিত অঞ্চলের শিশুদের শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি এবং তাদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার এক অভিন্ন লক্ষ্যকে প্রতিফলিত করে।

নবউদ্বোধিত এই প্রতিষ্ঠানটি প্রাথমিকভাবে প্রণবানন্দ বিদ্যামন্দিরের অধীনে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে কার্যক্রম শুরু করবে। পরবর্তীকালে এটি ধাপে ধাপে পূর্ণাঙ্গ উচ্চ বিদ্যালয়ে উন্নীত করা হবে এবং ভবিষ্যতে একটি বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় ব্যবহারিক দক্ষতাও অর্জন করতে পারে।
এই উপলক্ষে মামরাজ জয়ত্রী ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও মিনু প্রাইম শাড়ির প্রধান ব্রহ্মানন্দ আগরওয়ালা বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো শিশুদের এমন মানসম্মত শিক্ষা প্রদান করা, যা তাদের দায়িত্বশীল নাগরিক এবং সহানুভূতিশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। একটি শিশুকে শিক্ষিত করলে গোটা জাতি শক্তিশালী হয়। ‘বাচ্চা পড়াও, দেশ বাড়াও’—এই বিশ্বাসই আমাদের অনুপ্রাণিত করে, যাতে আমরা নতুন প্রজন্মকে সঠিকভাবে গড়ে তুলতে এবং দেশের সেবায় নিয়োজিত হতে সহায়তা করতে পারি।”

অনুষ্ঠানে স্বামী বিশ্বাত্মানন্দ মহারাজ বলেন, “এই প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যা এই অঞ্চলের শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আমরা প্রাথমিক শিক্ষা দিয়ে যাত্রা শুরু করছি, ভবিষ্যতে এটি একটি পূর্ণাঙ্গ উচ্চ বিদ্যালয়ে পরিণত হবে এবং পরবর্তীতে একটি বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে, যাতে শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে একাডেমিক জ্ঞান ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ লাভ করতে পারে।”

এই উদ্যোগটি শিক্ষা, সমাজসেবা এবং কমিউনিটি ডেভেলপমেন্টে মামরাজ জয়ত্রী ফাউন্ডেশনের অব্যাহত অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

Related News

Also Read