Select Language

[gtranslate]
২৬শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বুধবার ( ১১ই মার্চ, ২০২৬ )

ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট হলে অনুষ্ঠিত হলো “উমা এলো” 

কেকা মিত্র

 

শুধু মাতৃ বন্দনা নয়, এ যেন বাংলার প্রতিটি মেয়ের চিরাচরিত ঘরে ফেরার গপ্পো, যেখানে বাংলার “যাও গিরিরাজ আনিতে গৌরি উমা নাকি বড় কাঁদিছে” আর সুদূর মরু প্রদেশের “সাতো জনম-রি এক কাহানি” মিলে মিশে এক হয়ে যাওয়া। বাংলার শিউলি ফোটা শরতের নীল আকাশের সাদা মেঘের ভেলায় ভেসে উমার ঘরে ফেরা ভোরের শিশির, কাশের দোলায়, বেজে ওঠে তাঁর আগমনী সুর।

আরাধ্যা দেবী হয়ে ওঠেন বাংলার ঘরের মেয়ে উমা। উমার আগমনকে কেন্দ্র করেই বাংলার লোকসংস্কৃতির সাথে জড়িয়ে আছে আগমণী গান। যে গানে গীতরস ও নাট্যরসের এক সম্পৃক্ত মিশেল আছে।

শারদীয়ার প্রাক্কালে ঘরের এই লোকসংস্কৃতির নির্যাসকে ভিত্তি করে একটি “তান” প্রযোজনায় “উমা এলো” অনুষ্ঠিত হলো গত ১৬ ই সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কলকাতার কলেজ স্ট্রীটের ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট হলে। এই নৃত্যনাট্য

ভাবনা, নির্মান ও বিন্যাসে সাধুবাদ পাবেন পরিচালক আদিনাথ দাস। বিভিন্ন চরিত্রে ছিলেন হর – রণিত মোদক, উমা- সাধনা হাজরা, গিরিরাজ – মিথুন ব্যানার্জী, মেনকা – কাবেরী কর ( পুইতন্ডি)। সকল শিল্পীদের উপস্থাপনা অনবদ্য। এই নৃত্য নাট্য তে তিরিশটি গান আছে।

সংগীত পরিচালনায় ছিলেন ড: চন্দন কুমার রায় ও প্রমিতি রায়। সেই সঙ্গে মঞ্চনির্মানে সমীর কুন্ডু, স্বপন শীল এবং আলোয় মিঠু মন্ডল বিশেষ মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন। সব মিলিয়ে জমে উঠেছিলো দুর্গার আবাহন নিয়ে দু ঘণ্টার জমজমাট এই নৃত্যনাট্য। সমগ্র অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় ছিলেন কৌশানী কুন্ডু।

Related News

Also Read