অত্যন্ত গৌরব এবং আনন্দের। এই ঐতিহ্যবাহী ব্যাংক যা দেখতে দেখতে একশো বছরে পদার্পণ করেছে। আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও ভাগ্যবান এই কারণেই, যে একশো বছরের উদযাপন শুরু হয়েছে, তার বর্তমান সভাপতি আমি। ফলে এটা অত্যন্ত আনন্দের বিষয় আমার হাত ধরেই এই অনুষ্ঠান হচ্ছে। শনিবার বলাগেড়িয়া কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাঙ্কের আস্থার শতবর্ষ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমনই মন্তব্য করলেন স্থানীয় ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান তথা কাঁথি পুরসভার পুরপ্রধান সুপ্রকাশ গিরি। তিনি জানিয়েছেন,

আমরা এই একশো বছরে তার নাম দিয়েছি “আস্থা”! তবে সম্পূর্ণ মানুষের আস্থা না থাকলে কখনো কোনদিন কোন প্রতিষ্ঠান এগোতে পারে না। এই আস্থার সাথে সাথে স্বপ্ন দেখবে মানুষ। সেই স্বপ্নকে নিয়ে হবে সংগ্রাম। আর লাগাতার সংগ্রামের পর সাফল্য আসবে। এবং এই ব্যাংকের পেছনে যাদের অবদান রয়েছে তাদের কখনোই ভোলা যায় না। ফলে আমরা কয়েক দিন ধরে এই একশো বছরের মহতি দিনটির জন্য অপেক্ষা করেছিলাম এবং নানান কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আমরা পালন করবো।

পাশাপাশি, সমাজসেবামূলক কাজের জন্য আমরা কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে রোগীদের জন্য হুইল চেয়ারের ব্যবস্থা করেছে যা আমরা তাদের হাতে তুলে দেব বলে জানিয়েছেন বলাগেড়িয়া সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান সুপ্রকাশ গিরি। এদিন ব্যাঙ্কের একশো বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে কাঁথি ৩ ব্লকের খারিজবাড়ে কাঁথি লায়ন্স ক্লাবের সহযোগিতায় বিনামূল্যে কয়েকশো সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ব্যাঙ্ক সচেতনতা শিবিরের আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি, সবুজ বাঁচাতে নানা জায়গায় চারাগাছ রোপণ করা হয়েছে।

কিন্তু আগামী এক বছর ধরে বলাগেড়িয়া কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাঙ্কের অধীন বিভিন্ন সমবায়ে নানা সামাজিক অনুষ্ঠান হবে বলে ব্যাঙ্কের তরফে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বলাগেড়িয়া কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাঙ্কের সম্পাদক স্বপন কুমার পয়ড়্যা, ব্যাঙ্কের ভাইস চেয়ারম্যান পার্থ সারথি দাস, কাঁথি কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের ভাইস চেয়ারম্যান ও ডাইরেক্টর তরুণ কুমার জানা, ব্যাঙ্কের প্রাক্তন চেয়ারম্যান সত্যজিৎ ধাড়া, ব্যাঙ্কের এসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার বিকাশ রথ, প্রাক্তন চেয়ারম্যান অহিভূষণ পাহাড়ি, প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের তরফে গুরুপ্রসাদ নন্দ ও দিলীপ নন্দ, স্থানীয় ব্যাঙ্কের শাখা আধিকারিক মানস প্রসাদ ঘটক-সহ বিশিষ্টজনেরা।





