এ যেন থেকেও নেই ।তাঁরা গত দুই দিন ধরে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে বারবার বললেন তৃনমূলেই আছেন,তারপরেও তাঁদের দেখা গেলনা শহীদ দিবসের মঞ্চে। তাঁরা মানে তৃণমূলের দুই পিতা-পুত্র সাংসদ শিশির অধিকারী এবং দিব্যেন্দু অধিকারী।
করোনা মহামারির কারনে দু’বছর পর রাজ্যের তৃণমূল নেতা-কর্মীরা প্রায় সকলেই ধর্মতলামুখী।বৃহস্পতিবার কলকাতার ধর্মতলায় হয়ে গেল তৃণমূলের জনসমাবেশ। শুধু ব্যতিক্রম কাঁথির অধিকারী পরিবারের দুই তৃণমূল সাংসদ। সম্প্রতী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে নয়াদিল্লি গিয়ে ভোট দিয়ে দক্ষিণ কাঁথির বাড়িতে ফিরে এসেছেন অশীতিপর শিশির। বাড়িতে বসেই দিল্লির রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফলাফলে চোখ রাখছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। বোঝাতে চেয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমাবেশ নিয়ে বিশেষ কোনও আগ্রহ নেই তাঁর। আগ্রহ নেই ২১ জুলাইয়ের সমাবেশ নিয়েও।তবু তিনি আছেন তৃনমূলেই।
গত ২০১৯ সালের ২১ জুলাইয়ের সমাবেশে অবধি অধিকারী পরিবারের সব সদস্যই ২১ জুলাইয়ের সমাবেশ আয়োজনের তদারকির দায়িত্বে থাকতেন। এমনকি, বক্তাদের তালিকাতেও জ্বলজ্বল করত শুভেন্দু অধিকারী বা শিশির অধিকারীর নাম।
বৃহস্পতিবার ২১ জুলাইয়ের সমাবেশের পর বিকেলে মুখ্যমন্ত্রী মমতার কালীঘাটের বাসভবনে সাংসদদের বৈঠকেও প্রত্যাশিত ভাবেই আমন্ত্রিত নন কাঁথির সাংসদ ও তমলুকের সাংসদ। প্রসঙ্গত, সেই বৈঠকেই ঠিক হবে উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলের অবস্থান।






