বড় জ্যোতিষীকে দলে পেয়েছে বিজেপি,যে দিন ধরে ধরে বলে দিতে পারে কি হবে ।তবে ওদের দুর্ভাগ্য ওই জ্যোতিষী দলটা তুলে দেবে ।কাঁথি দেশপ্রাণ ব্লকের পেটুয়াঘাট মৎস্য বন্দরে গদ্দার মুক্তি দিবসে নিজের ভাষনে এভাবেই শুভেন্দু অধিকারীকে কটাক্ষে কটাক্ষে ভরিয়ে দিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।
কাঁথি দেশপ্রাণ ব্লকের পেটুয়াঘাট মৎস্য বন্দরে গদ্দার মুক্তি দিবস সভায় উপস্থিত ছিলেন তৃনমূলের মুখপাত্র কুনাল ঘোষ, রাজ্যের কারামন্ত্রী অখিল গিরি, প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতির্ময় কর,কাঁথি যুব তৃনমূলের সভাপতি সুপ্রকাশ গিরি, সভা আয়োজক তথা কাথি দেশপ্রাণ ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতি সহ সভাপতি তরুণ কুমার জানা অন্যান্য নেতৃত্বরা।

এদিন সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়েরাজ্য শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন ” পেটুয়া মৎস্যবন্দরের সভা হচ্ছে। মৎস্যজীবীদের কার্ডের করণের অনুপ্রেরণা চলছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মৎস্যজীবি জন্য কাজ করছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মৎস্যজীবীদের জন্য কাজ করছে। পাশাপাশি অধিকারী পরিবারকে কটাক্ষ ছুড়ে দেন তিনি। পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা মৎস্যজীবী জেলা বেশি থাকেন! এতদিন তো এখানে অধিকারীদের রাজত্ব চলতো। মৎস্যজীবীদের জন্য কিছু করেননি অধিকারী পরিবার। তাদের কোন কার্ডের আওতায় নিয়ে আসেন নি। পাশাপাশি নতুন তৃণমূলের কথা তুলে ধরেন “। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন তাজপুর গভীর সমুদ্র বন্দরে বন্দর হবে ঘোষণা করেছিলেন! শুভেন্দু অধিকার সিপিএমের লোকজন হাসাহাসি শুরু করেছিল। এখন শুভেন্দু অধিকারীরা মুখ লুকাচ্ছে। শুভেন্দু অধিকারী ডেড লাইন নিয়ে কটাক্ষ করেন। প্রথম দিন প্রথম দিন সিবিআই হেফাজতে লালন শেখের মৃত্যু হয়েছে। দ্বিতীয় দিন আসানসোলের কম্বল বিলি করতে গিয়ে পথপৃষ্ট হয়ে অনেকে মৃত্যু হয়েছে “।
বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বিজেপি থেকে ছেড়ে আসা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের অধিকারী পরিবারের উদ্দেশ্যে কটাক্ষ করে দেন। তিনি বলেন ” এতদিন এখানে জমিদারি চলতো। শুভেন্দু অধিকারী বেইমান তাই এরকম বক্তব্য রাখছেন! বলে দিচ্ছি ২৪ সালে বিজেপি খতম হবে “।






