শনিবার পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজ্যপাল ও কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের আচরনে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী।বলেন রাজ্যপাল এবং কেন্দ্রীয় সরকার ভাবছেন কি না জানি না, এই রাজ্যে ৩৫৬ অথবা নির্বাচনের সময়ে ৩৫৫ জারি করে প্রশাসনকে নিরপেক্ষ না করতে পারলে পশ্চিমবঙ্গে কোনও ভোট হতে পারে না।
শুভ্বন্দুর এই সাংবাদিক বৈঠক সামনে আসার পরেই তীব্র আক্রমনে শানিয়েছে রাজ্যের শাসক দল তৃনমূল।শাসকদলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন বিজেপি বুঝে গেছে ফাঁকা কলসীর আওয়াজ বেশী।ওকে আর গুরুত্ব দিচ্ছে না,তাই রক্তচাপ বেড়ে গেছে শুভেন্দুর।বিজেপিতে ওর দর নেই তাই এখন থেকে নির্দল সাজছে
নন্দীগ্রাম বিধানসভা এলাকার ভোটার শুভেন্দু নন্দনায়ক বাড়ের ৭৭ নম্বর বুথে ভোটে দেন। এর পরেই রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিকদের মুখোমুখী হয়ে বলেন রাজ্যে শান্তি ফেরাতে দু’টি পথ রয়েছে। ৩৫৬ বা ৩৫৫ অনুচ্ছেদ জারি করে নির্বাচন অথবা জনগণের অভ্যুত্থান। তিনি বলেন,দিল্লির কে কী ভাববে, অন্য কে কী বলবে আমার জানার দরকার নেই। আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে বাংলার পরিত্রাণের জন্য মন্ত্রিত্ব ছেড়ে এখানে এসেছি।
সেই সাথে তাঁর সংযোজন,রাজ্যপাল এবং কেন্দ্রীয় সরকার ভাবছেন কি না জানি না, এই রাজ্যে ৩৫৬ অথবা নির্বাচনের সময়ে ৩৫৫ জারি করে প্রশাসনকে নিরপেক্ষ না করতে পারলে পশ্চিমবঙ্গে কোনও ভোট হতে পারে না।ভোট শান্তিপূর্ণ করতে কলকাতা হাই কোর্ট যা যা নির্দেশ দিয়েছিল, তা-ও মানা হয়নি বলে অভিযোগ করেন শুভেন্দু।
উল্লেখ্য দীর্ঘ দিন ধরেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়ে আসছেন শুভেন্দু। এখনও পর্যন্ত তাঁর সেই দাবিতে কোনও পদক্ষেপই করেনি কেন্দ্রীয় সরকার।ফলে শনিবার সাংবাদিক বৈঠকে নন্দীগ্রামের বিধায়কের মুখে কিছুটা হতাশার বহি:প্রকাশ ঘটেছে বলেও রাজনৈতিক মহলের ধারনা।
এরপরেই কাঁথিতে সাংবাদিক বৈঠক করে শুভেন্দু সহ অধীর চৌধুরী-মহম্মদ সেলিমদের আক্রমন করেন শাসকদলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষ । তিনি বলেন সারা রাজ্যে ৬১ হাজার বুথের মধ্যে ৪৩-৪৪টা বুথে বড়-ছোট কিছু ঝামেলা হয়েছে। এর থেকে বোঝাই যায় উৎসবের মেজাজে ভোট হয়েছে রাজ্যে। বিরোধীদের মুখ লুকানোর জন্যে ওই ৪৩-৪৪টা বুথ দরকার ছিলো তারা তাই চক্রান্ত করে,প্ররোচনা দিয়ে এই সব করিয়েছে।
শুভেন্দু প্রসঙ্গে শাসক দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, হার নিশ্চিত বুঝতে পেরে গিয়েই এই সব বলছে। এই রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি করার আগে মণিপুর নিয়ে দিল্লির দাদাদের সঙ্গে কথা বলা উচিত শুভেন্দুর।আর বিজেপি বুঝে গেছে ফুঁটো কলসীর আওয়াজ বেশী।তাই নির্দল সাজার নাটক করছে







