Select Language

[gtranslate]
১৬ই চৈত্র, ১৪৩২ সোমবার ( ৩০শে মার্চ, ২০২৬ )

।। “ক্ষমতা থাকলে ইডি-সিবিআই দিয়ে আমাকে তুলে দেখা” ।।

ভারতের যে কোন আন্দোলন কিংবা স্বাধীনতা সংগ্রামে দেশকে পথ দেখিয়েছে মেদিনীপুর।এবার বিজেপিকে ঝেঁটিয়ে মুক্ত করতে মেদিনীপুরকেই পথ দেখাতে হবে।মঙ্গলবার পটাশপুরের বাজারে নবজোয়ার কর্মসূচীর সভা থেকে এই আহ্বান জানালেন তৃনমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারন সম্পাদক সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।উল্লেখ্য পশ্চিম মেদিনীপুরে তিন দিন থাকার পর সবং দিয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরে ঢোকেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এই জেলায় তিনি চার দিন থাকবেন।

সভা থেকে ক্ষুদিরাম-বীরেন্দ্রনাথ শাসমল-সতীশ সামন্ত-মাতঙ্গীনি হাজরা-সুশীল ধাঁড়াদের দেশের জন্যে আত্মত্যাগের ইতিহাস তুলে ধরার পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে আত্মসমর্পনের অভিযোগ তুলেছেন।রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ফের মির্জাফর-গদ্দার বলে তোপ দেগে অভিষেকের দাবি নিজের পিঠ বাঁচাতে বিজেপি গিয়ে পূর্ব মেদিনীপুর-রাজ্যের মানুষের আবেগ-সম্মানকে বিজেপির কাছে বিক্রী করে দিয়েছে।



শুভেন্দুর নাম না নিয়ে বলেন গদ্দার, মীরজাফর সারাদিন সবাইকে ইডি, সিবিআইয়ের ভয় দেখায়। উঠতে বসতে সারাদিন ভাইপো, ভাইপো করতে থাকে। নাম করার তো সাহস নেই। তোমার এত যদি সাহস থাকে, তাহলে ভাববাচ্যে কথা কেন? আমি চ্যালেঞ্জ করছি, ক্ষমতা থাকলে ইডি-সিবিআই দিয়ে আমাকে তুলে দেখা।

এরপরেই অভিষেকের দাবি দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক গদ্দার শুভেন্দু অধিকারী,দাবি করেন ঘূষ খোর শুভেন্দু।

অভিষেক অভিযোগ করেন নিজের গ্রেফতারী আটকাতে ২০২১ সালে এমন ভাবে প্রচার করলো তৃনমূল দলটা ভেঙ্গে যাছে।ক্ষমতায় চলে আসছে বিজেপি।তারপর মানুষ ওদের ভোকাট্টা করে দিয়েছে।এখন মানুষকে সিবি আই-ইডির ভয় দেখাচ্ছে।দলেন তোমার এত যদি সাহস থাকে, তাহলে ভাববাচ্যে কথা কেন? আমি চ্যালেঞ্জ করছি, ক্ষমতা থাকলে ইডি-সিবিআই দিয়ে আমাকে তুলে দেখা।বলেন, দেখি তোমার মোদিজি আর অমিতজির কত ক্ষমতা।তোমার কাছে ইডি-সিবিআই আমার কাছে মানুষ আছে।ক্ষমতা থাকলে এসো জনতার দরবারে।

কটাক্ষ করে অভিষেক বলেন,ওরা চেয়েছিল নবজোয়ার আটকাতে। কিন্তু পারেনি। শুভেন্দুর চোখে ভয়, শরীরে হতাশা। যত চেষ্টা করুক তৃণমূলকে রুখতে পারবে না।কারন মোদী জী,অমিত জী,ইডি জী নয়,জনতা জনার্দন শেষ কথা।

বললেন, এদের বরাবর তুঘলকী সিদ্ধান্ত। কখনও নোটবাতিল, কখনও আবার লকডাউন। টাকা বদলাতে গিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে ১৪০ জন মারা গিয়েছে। এখন আবার নোটবন্দি। পালটানোর রাজনীতিতে বিশ্বাসী হয়ে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। শুধু দৃষ্টিভঙ্গি পালটায়নি।

শুভেন্দু অধিকারীর পাশাপাশি দিলীপ ঘোষকেও তীব্র আক্রমন করেন অভিষেক।বলেন দুটোই চোর,ছাঁচোড়,চিটিংবাজ।এদের ইডি-সিবিআই ডাকবেনা।

Related News

Also Read