Select Language

[gtranslate]
১৬ই চৈত্র, ১৪৩২ সোমবার ( ৩০শে মার্চ, ২০২৬ )

।। দিদির দূত প্রচারে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে ।।

প্রদীপ কুমার সিংহ:- বিধায়ক বিমান ব্যানার্জি বুধবার তার নিজের এলাকার ধপধপি ২ নাম্বার গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় জনসংযোগে যান।

সেখানে সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযোগ করেন,সেই সাথে দাবি করে পঞ্চায়েত থেকে চোরদের সরান।

এমনকী, আবাস যোজনার প্রকল্পের তালিকায় ঘর, পানীয় জল থেকে শুরু করে রাস্তা, নর্দমা নিয়ে গ্রামের বাসিন্দাদের ক্ষোভে পড়লেন বিধানসভার অধ্যক্ষ তথা বারুইপুর পশ্চিম কেন্দ্রের বিধায়ক বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।



বুধবার বারুইপুরের ধপধপি ২ পঞ্চায়েত এলাকায় দিদির দূত প্রচারে অঞ্চলে একদিন কর্মসূচিতে বেরিয়ে বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে ।

তা‌ঁকে কাছে পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন গ্রামের লোকজন। তিনি সব সমস্যা শুনে তা সমাধান করার ব্যাপারে আশ্বস্ত করেন বাসিন্দাদের।

বিমানবাবু বলেন, অভিযোগ তো কিছু থাকবেই। সব প্রতাশ্যা পুরণ করা যায় না। সমস্যার সমাধানও হবে। তিনি আরো বলেন মানুষের সমস্যা চিরকালই থাকবে।

এদিনের কর্মসূচিতে অধ্যক্ষের সঙ্গে ছিলেন বারুইপুর পশ্চিম ব্লক তৃণমূল সভাপতি গৌতম দাস, জেলা পরিষদের উপাধ্যক্ষ জয়ন্ত ভদ্র, বারুইপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কানন দাস, পঞ্চায়েত প্রধান মহুয়া দাস মণ্ডল।

এইদিন তিনি প্রথমে ধপধপি দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে প্রনাম সেরে কর্মসূচীতে বেরোন । ধপধপি পূর্ব সাপুই পাড়া এলাকায় অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় যেতে গ্রামের মহিলারা অভিযোগ জানিয়ে বলেন, বিধবাভাতা, বার্ধক্যভাতার জন্য ১০ বার পঞ্চায়েতে হেঁটেছি কাজ হয়নি। রাস্তা খারাপ হলেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এরপরে মজলিসপুকুর এলাকায় গেলে বাসিন্দারা রাস্তায় কার্যত ঘিরে ধরে একের পর এক অভিযোগ জানাতে থাকেন।

বাসিন্দাদের অভিযোগ, জব কার্ড সুপারভাইজারের ঘরে কেন? পঞ্চায়েত থেকে চোরদের সরান। প্রকৃত ঘর প্রাপকরা ঘর থেকে বঞ্চিত। গ্রামে পানীয় জলের সমস্যা খুব। জল আনতে দুরের গ্রামে যেতে হচ্ছে। নর্দমার ব্যবস্থা করা হয়নি গ্রামে। পরে সমস্যা নিয়ে পঞ্চায়েত অফিসে গিয়ে আধিকারিক, সদস্য, প্রধানকে নিয়ে মিটিং করেন অধ্যক্ষ। এক মহিলা বলেন আমি লক্ষীর ভান্ডারের জন্য তিন চার বার আবেদন করেছি আজ পর্যন্ত আমি তা পাইনি। এক মহিলা তার নিজের প্লাস্টিক দেওয়া ঘরে নিয়ে যান বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় কে দেখানোর জন্য।তিনি বলেন আমি আবাস যোজনা ঘর পাচ্ছিনা।
তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন মানুষের সমস্যা অনেক থাকে কিছু সমস্যার সমাধান করা গেছে। পানীয় জলের জন্য যে সমস্যার কথা এলাকার মানুষ বলেছেন তাদেরকে তিনি বলেছেন পানীয় জল ২০২৪ এর মধ্যে প্রত্যেক মানুষের ৫৫ লিটার করে জল ঘরে পৌঁছে যাবে।

Related News

Also Read