হারিয়ে যাওয়া মোবাইলের হেডফোন খুঁজতে গিয়ে দুই সহপাঠীর প্রান গেল ট্রেনের ধাক্কায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে মৃৎশিল্পী বাবাকে সহযোগিতা করার জন্য সরস্বতী প্রতিমার গহনা পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মেচেদাতে কিনতে গিয়েছিল রুপঙ্কর কোলে। সূত্র মারফত জানা গেছে যাওয়ার সময় তার হেডফোনটি ট্রেন লাইনে পড়ে যায়। প্রতিমার গহনা কিনে ফিরে আসে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভোগপুর স্টেশনে।
রূপঙ্করের বাড়ি ভোগপুরের কোদালিয়া গ্রামের কোলে পাড়াতে। ভোগপুর স্টেশনের কাছে বাড়ি দিপ্তেন্দু সাঁতরা তার সহপাঠীকে নিয়ে মোবাইল ফোনের হেডফোনটি খুঁজতে যায় ট্রেনলাইনে। হেডফোন খোঁজার সময় দুটি এক্সপ্রেস ট্রেন দু দিক থেকে চলে আসে রেললাইন ধরে। স্থানীয়দের অনুমান হাওড়া গামী হাওড়া মুম্বাই গীতাঞ্জলি এক্সপ্রেস এর ধাক্কায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে।মর্মান্তিক খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। ঘটনার খবর পেয়ে রেল পুলিশ দুটি মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য তাম্রলিপ্ত মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে পাঠায়। দুজনেই ভোগপুর কেনারাম হাই স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্র বলে জানিয়েছেন বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক। তিনি জানিয়েছেন রূপঙ্করের বাবার নাম সহদেব কোলে এবং দিপ্তেন্দুর বাবার নাম মধুসূদন সাঁতরা। তারা পড়াশোনায় খুব ভালো না হলেও কাজের দিক থেকে খুব ভালো বলে জানিয়েছেন প্রধান শিক্ষক সুদীপ মাইতি এবং রূপঙ্করের জেঠু জয়দেব কোলে।






