পূর্ব মেদিনীপুর জেলা স্ট্রীট ভেন্ডার্স ইউনিয়নের পক্ষ থেকে দিঘা শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদে’র প্রশাসকের কাছে ডেপুটেশন ও স্মারকলিপি তুলে দেওয়া হয়।
প্রসঙ্গত দিঘায় পুরীর আদলে জগন্নাথ মন্দির নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। ২০১৮ সালে ঘোষণা অনুযায়ী ডি এস ডি এ কে জমি অধিগ্রহণের নির্দেশ দেন । ডিএসডিএ রামনগরের সৈকত শহর দিঘায় ভোগী ব্রহ্মপুর মৌজার ২৫ জায়গা অধিগ্রহণ করে। সম্পূর্ণ সরকারি খরচায় ২০২২ সালে জগন্নাথ মন্দির নির্মাণের দায়িত্ব দেওয়া হয় হিডকোকে । প্রায় আড়াইশো কোটি টাকা খরচ হবে মন্দির নির্মাণে । মন্দির নির্মাণের কাজ প্রায় শেষের দিকে। এলাকার মানুষের বক্তব্য সামনে রথযাত্রায় মন্দিরের উদ্বোধন হতে পারে। তাই প্রশাসনের তরফে মাইকিং করে মন্দির সংলগ্ন সমস্ত ঝুপড়ি ও দোকানদারদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে উঠে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।নতুবা ভেঙে দেওয়া হবে। তড়িঘড়ি করে গরিব দোকানদার আসবাবপত্রের ক্ষতির আশঙ্কায় উঠে যেতে বাধ্য হয়। দোকানদাররা কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের বিকল্পের আবেদন জানিয়ে ছিলেন। তাদের সেই আবেদনে সাড়া দেয়নি কর্তৃপক্ষ। শ্রাবণী মাইতি ,গৌরী প্রধান ,ঝুনু জানাদের আবেদন ছিল দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে তারা দোকান চালিয়ে এসেছে । হঠাৎ করে যাবেন কোথায়? বিকল্প ব্যবস্থা করতে হবে।
এই স্ট্রিট হকার ও ছোট ছোট দোকানদারদের পাশে দাঁড়িয়ে বিকল্প পুনর্বাসনের দাবি জানাচ্ছে পূর্ব মেদিনীপুর ট্রিট ভেন্ডার্স ইউনিয়ন ।আজ ডিএসডিএ র প্রশাসক তথা কাঁথি মহাকুমা শাসকের কাছে তাদের কিছু দাবি ও স্মারকলিপি নিয়ে ডেপুটেশনে যান।






