Select Language

[gtranslate]
৩রা চৈত্র, ১৪৩২ মঙ্গলবার ( ১৭ই মার্চ, ২০২৬ )

পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে ছুরির কোপ মারলো স্বামী

প্রদীপ কুমার সিংহ

প্রতিবেশী যুবকের সঙ্গে স্ত্রীর পরকীয়া আছে সন্দেহ।এই নিয়েই অশান্তি চলতো। এর জেরেই বুধবার সন্ধ্যায় ধারালো ছুরি দিয়ে স্ত্রী কে কোপানোর অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বারুইপুর থানার অধীন পেটুয়া এলাকায়। গুরুতর জখম অবস্থায় স্ত্রী কাকলি মল্লিক কলকাতার এস এস কে এম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। স্বামী সঞ্জয় মল্লিক কে বারুইপুর থানার পুলিস গ্রেপ্তার করেছে। কাকুলি দেবীর মা বৃহস্পতি রায় সাংবাদিকদের বলেন ২০ বছর আগে পাড়ার ছেলে সঞ্জয় মল্লিকের সঙ্গে কাকুলি দেবী নিজেরা দেখাশোনা করে বিবাহ করেছিলেন। তাদের একটি পুত্র ও কন্যা সন্তান আছে। সঞ্জয় মল্লিক বেশ কিছুদিন ধরেই কাকলি দেবীকে সন্দেহ করতো প্রতিবেশী যুবকের সঙ্গে তার স্ত্রীর পরকীয়া সম্বন্ধ আছে। বুধবার সন্ধ্যায় সঞ্জয়বাবু তার ভাইকে ফোন করে বৌদির কথা জিজ্ঞাসা করে। তখন ভাই বলেন বৌদির পাশেই বাড়ি গেছে । সঞ্জয় বাবু একটি বেসরকারি সংস্থা কাজ করতেন। তিনি তাড়া তাড়ি বাড়িতে আসেন কাকলি দেবী তখন নিজের ঘরে ঠাকুরের সন্ধ্যা পূজা করছিলেন। সঞ্জয়বাবু বাড়িতে এসে হঠাৎ একটি ছুরি নিয়ে কাকলি দেবীর গলায়, মুখে,শরীরে বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন কাকলি দেবী।সঙ্গে সঙ্গে পরিবারের অন্য সদস্যরা জানতে পারলে তড়ি ঘড়ির কাকলি দেবীকে নিয়ে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যায়। হাসপাতালে চিকিৎসক কাকলি দেবীর অবস্থা অবনতি হওয়ায় তাকে কলকাতা সরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে। কাকলি দেবী এখন কলকাতা এসএসকেএম হাসপাতালে আই সি ইউ বিভাগে চিকিৎসা আছে।

 

সঞ্জয় বাবুর শ্বশুরমশাই গুণধর রায় বারুইপুর থানায় বুধবার রাতে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের ভিত্তিতে বারুইপুর থানার পুলিশ সঞ্জয় মল্লিককে গ্রেপ্তার করে বুধবার রাতে। বৃহস্পতিবার ধৃত ব্যক্তিকে বারুইপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয় পুলিশের পক্ষ থেকে। নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার জন্য পুলিশ মহামান্য আদালতের কাছে আবেদন করে।

Related News

Also Read