Select Language

[gtranslate]
৪ঠা চৈত্র, ১৪৩২ বুধবার ( ১৮ই মার্চ, ২০২৬ )

বারুইপুর সদব্রত ঘাটে তর্পণ করলেন বিধায়ক ও চেয়ারম্যান

প্রদীপ কুমার সিংহ

 পিতৃ পক্ষ আবসান মাতৃ পক্ষে সুচনা এই সময়ে পূর্ণ লগ্নে মহালয় হয়। এই মহালয়ে ভোরের আলো ছুঁতে না ছুতেই গঙ্গার মৃদু স্রোত। আস্তে আস্তে ঘাটে ভিড় জমছে ধুতি-চাদর পুরিহিতদের। খানিক পরেই দেখা গেলো বাঙালির চেনা চিত্র, বাতাস ভরে ভোরে উঠছে, গঙ্গার ঘাটে ঘাটে মন্ত্রোচ্চারণে। নাভিজলে দাঁড়িয়ে স্বর্গীয় পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে অঞ্জলিভরে জল দান করলেন ঘাটে উপস্থিত সকলে, শুরু হল মহালয়ার তর্পণ।

আশ্বিনে শারদপ্রাতে বাঙালির আবেগ নিয়ে স্বচরিত্রে হাজির হয় বারইপুর সদব্রত গঙ্গার ঘাটে মহালয়ার ভোর। বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের গলায় মহিষাসুরমর্দিনী শুনবে একটা প্রজন্ম। আর একটা প্রজন্ম উপস্থিত হবে গঙ্গার ঘাটে।

 

তর্পণ কথার অর্থ তৃপ্ত করা। এই সেই সময় যখন পূর্বপুরুষরা প্রেতলোক ছেড়ে নেমে আসেন মর্ত্যের কাছাকাছি, তাঁদের উত্তরসূরীদের হাত থেকে অর্ঘ্য-জল গ্রহণ করেন বলে শোনা যায়। কিন্তু এই প্রেতলোক, মহালয়া – শব্দগুলির মধ্যে কিন্তু মৃত্যুর মতো কোনও অমোঘ ছায়া নেই। বরং আছে উত্তরপুরুষদের মধ্যে দিয়ে পূর্বপুরুষদের অমরত্বের এক ক্ষীণ প্রত্যাশা।

সেই কথা মাথায় রেখে বারুইপুর বিভিন্ন ঘাটে তথা সদাব্রত আদিগঙ্গার ঘাটে হাজার হাজার মানুষ সমবেত হয়েছে এখানে তাদের পিতৃপুরুষদের উদ্দেশ্যে তর্পণ একেবারেই গমগমে বলা যায়। এই বারুইপুর পৌরসভার অন্তর্গত আদিগঙ্গা সদাব্রত ঘাটে।মহালয়ার তর্পণ শুধু পূর্বপুরুষ নয়, সব আত্মার উদ্দেশে নিবেদিত অর্ঘ্য।

ভোরের আলো ছুঁতে না ছুতেই গঙ্গার মৃদু স্রোত। আস্তে আস্তে ঘাটে ভিড় জমছে ধুতি-চাদর পুরিহিতদের। খানিক পরেই দেখা গেলো বাঙালির চেনা চিত্র, বাতাস ভরে ভোরে উঠছে, গঙ্গার ঘাটে ঘাটে মন্ত্রোচ্চারণে। নাভিজলে দাঁড়িয়ে স্বর্গীয় পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে অঞ্জলিভরে জল দান করলেন ঘাটে উপস্থিত সকলে, শুরু হল মহালয়ার তর্পণ।

 

আশ্বিনে শারদপ্রাতে বাঙালির আবেগ নিয়ে স্বচরিত্রে হাজির হয় বারইপুর সদব্রত গঙ্গার ঘাটে মহালয়ার ভোর। বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের গলায় মহিষাসুরমর্দিনী শুনবে একটা প্রজন্ম। আর একটা প্রজন্ম উপস্থিত হবে গঙ্গার ঘাটে।

 

তর্পণ কথার অর্থ তৃপ্ত করা। এই সেই সময় যখন পূর্বপুরুষরা প্রেতলোক ছেড়ে নেমে আসেন মর্ত্যের কাছাকাছি, তাঁদের উত্তরসূরীদের হাত থেকে অর্ঘ্য-জল গ্রহণ করেন বলে শোনা যায়। কিন্তু এই প্রেতলোক, মহালয়া – শব্দগুলির মধ্যে কিন্তু মৃত্যুর মতো কোনও অমোঘ ছায়া নেই। বরং আছে উত্তরপুরুষদের মধ্যে দিয়ে পূর্বপুরুষদের অমরত্বের এক ক্ষীণ প্রত্যাশা।

সেই কথা মাথায় রেখে বারুইপুর বিভিন্ন ঘাটে তথা শতাব্রত গঙ্গার ঘাটে হাজার হাজার মানুষ সমবেত হয়েছে এখানে তাদের পিতৃপুরুষদের উদ্দেশ্যে তর্পণ একেবারেই গমগমে বলা যায়। এই বারইপুর পৌরসভার অন্তর্গত আদিগঙ্গা সদাব্রত ঘাটে।

 

রবিবার এই ঘাটে তর্পণ করতে আসেন বিধানসভা কেন্দ্রে বিধায়ক বিভাস সরদার এবং তার আত্মীয়-স্বজনরা ,বারুইপুর পৌরসভার পৌরুমিতার শক্তি রায় চৌধুরী ও তার আত্মীয় স্বজনরা সহ দক্ষিণ ২৪ পরগনার হাজার হাজার মানুষ এখানে তর্পণ করতে আসে ! বিধায়ক বলেন এই জায়গায় ঐতিহাসিক জায়গা এখানে চৈতন্যদেব এসেছিলেন।তাহলে আমার মেয়েটাও আমাদের কীর্তন করেছিলাম চৈতন্যদেব!পাশে জায়গায় তে কীর্তনখোলা কীর্তন করেছিলেন তাই জায়গাটার নাম কীর্তনখোলা। তিনি তার পিতৃ দেবের জন্য তর্পণ করতে এসেছিলেন সেই সঙ্গে এখানে যারা তর্পণ করতে এসেছেন তাদের সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শারদীয়া। আগামী দিন দুর্গাপূজা উৎসব সবার যাতে ভাল কাটে সেই কামনাই করেন।

চেয়ারম্যানের শক্তি রায়চৌধুরী বলেন পৃত্তি পক্ষের অবসান ঘটেছে মাতৃপক্ষের সূচনা হল।মলয় উপলক্ষে সবাইকে শুভেচ্ছা জানাই এবং আগামী আমি একটুখানি দূর্গা পূজা উপলক্ষে সবাইকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে পুজো সবার যাতে ভালো করে কাটে সেই কামনা করে।সদাপত ঘাট পরিষ্কার করা হয়েছে পৌরসভার পক্ষ থেকে।হাজার হাজার মানুষের এই তপনের জন্য সদাপদ ঘাটে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে নি।বারাইপুর থানার পক্ষ থেকে বিশাল পুলিশের ব্যবস্থা করা হয়েছিল !

Related News

Also Read