Select Language

[gtranslate]
১৯শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বুধবার ( ৪ঠা মার্চ, ২০২৬ )

এক চালার কাঠামোতে পূজিতা হন শালবনীর বিকাশ দের বাড়ির দুর্গা

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার একটি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যবাহী জনপদ শালবনী। এই শালবনীতে বসবাস সম্ভ্রান্ত দে’ পরিবারের। এই পরিবারের অন্যতম কৃতি ব্যাক্তিত্ব ছিলেন প্রয়াত বললাম দে। বলরাম দে’র পুত্র বিকাশ দে ও পরিবারের অন্যান্য সদস্য-সদস্যারা দেবীকে একান্নবর্তী পরিবারের প্রতীক হিসেবে মাতৃরূপে গত পাঁচ বছর ধরে এক চালার কাঠামোতে এবং একই মূর্তি ও সাজে পুজো করে আসছেন।

পারিবারিক নীতি অনুযায়ী উল্টো রথের দিন এই একচালার খড়ের কাঠামোতে মাটি দেওয়ার মাধ্যমে পুজোর নিয়ম শুরু হয়। উল্লেখ্য দে বংশের কুল দেবী লক্ষ্মী।

তাই লক্ষ্মীকে আবাহন না করে দুর্গাপূজা আরম্ভ হয় না পারিবারিক প্রথা অনুযায়ী। পূজার শেষে বিজয়া দশমীর দিনই দেবী মূর্তির বিসর্জন হতেই হবেএমন নিয়মের কথাই শোনা গেল এ পরিবারের সদস্যদের কাছে। সারা বছর দেবী মন্দিরে দেবীর ছোট্ট একটি মূর্তিতে পুজো করা হয়।

উল্লেখ্য পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে,2021 সালে বিকাশ দের পুত্র ময়ূর দে তার ‘মা’ অসুস্থ থাকাকালীন দেবীর স্বপ্নাদেশ পেয়েছিলেন এবং সেই বছর থেকেই স্বপ্নাদেশে পাওয়া রূপ মেনেই দেবী মূর্তি তৈরি হয় প্রতি বছর মন্দিরেই। গত পাঁচ বছর ধরে দেবী পূজিত হয়ে আসছেন এই পরিবারটির দ্বারা। মা দুর্গাকে এ বছর বেনারসীতে সাজানো হয়েছে আর সোনার অলংকারেও সাজানো হয়েছে। পূজার দিন গুলোতে শালবনীর বাইরে থাকা এই পরিবারের সদস্যরা বাড়ি আসেন।ভীড় জমান আত্মীয় বন্ধু বান্ধবরাও।

উল্লেখ্য শালবনীর সম্ভ্রান্ত দে পরিবারের আদি পূজো শালবনী দুর্গা মন্দির নামক বাস স্টপ লাগোয়া দুর্গা মন্দিরটিতে টিতে অনুষ্ঠিত হতো বহু বছর আগে। সেখানে দেবী এক চালার মূর্তিতে পূজিত হতেন। কালক্রমে পুজোটি ওই অঞ্চলের বাসিন্দাদের দ্বারা অনুষ্ঠিত হয় সম্পূর্ণরূপে। সেই পুজোটি এখন দক্ষিণপাড়া সার্বজনীন দুর্গোৎসব নামে পরিচিত।

Related News

Also Read