মাছ চাষের মধ্যে কর্মসংস্থান এর বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। যারা বুর্ধিষ্ণু তারা ট্রলার দিয়ে সমুদ্রে মাছ ধরে। যারা বুদ্ধিষ্ণু নয় তারা খটিতে মাছ শুকিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে। শনিবার কাঁথি শহরে ঐতিহাসিক বীরেন্দ্র স্মৃতি সৌধে মৎস্যজীবী সম্মেলনে এই কথাগুলি বলেন মৎস্য মন্ত্রী বিপ্লব রায় চৌধুরী। মাছ চাষ করতে গেলে প্রশিক্ষণ দরকার হয়।

তার ব্যবস্থা করেছে রাজ্য সরকার।দুটো পুকুর থাকলে মাছ চাষ করলে কমপক্ষে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা আয় হয়। মন্ত্রী হয়ে মৎস্যজীবীদের জন্য কি কি কাজ করেছেন সেগুলি এক এক করে ব্যাখ্যা করেন। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী অখিল গিরি সংগঠনের বিরোধিতা কে কটাক্ষ করে বলেন চেষ্টা কর হবে। বিরোধিতা করো না। কাঁথি মহকুমা খটি মৎস্যজীবী উন্নয়ন সমিতি ও কাঁথি কেন্দ্রীয় মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির যৌথ উদ্যোগে মৎস্যজীবী সমাবেশ হয় শনিবার কাঁথি টাউন হলে। এই সভায় পৌরহিত্য করেন দীঘা ফিশারম্যান এন্ড ফিস ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সহ সভাপতি শ্যামসুন্দর দাস। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মৎস্য মন্ত্রী বিপ্লব রায়চৌধুরী ,প্রাক্তন মন্ত্রী অখিল গিরি, কাঁথি পৌরসভার পুরপিতা সুপ্রকাশ গিরি, জেলা পরিষদের মৎস্যকর্মধ্যক্ষ তরুণ কুমার জানা, বলাগেড়িয়া কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান পার্থসারথি দাস, সহমৎস্য অধিকর্তা সৌরেন্দ্রনাথ জানা, সহমৎস্য অধিকর্তা সামুদ্রিক সুমন সাহা,রামনগর দুই পঞ্চায়েত সমিতির মূত্র কর্মাধ্যক্ষ শেখ সিরাজ,সহ অন্যান্য মৎস্যজীবী নেতৃত্ব, সমস্ত খটির সভাপতি ও সম্পাদকগণ। সঞ্চালনায় সংগঠনের সম্পাদক লক্ষীনারায়ণ জানা। অনুষ্ঠানে দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারের হাতে দশ হাজার টাকার চেক তুলে





