প্রদীপ কুমার সিংহ:-বারুইপুর, রাজপুর-সোনারপুর, জয়নগর-মজিলপুর এলাকা, চরম দুর্ভোগ মানুষের।
রাতভর মুষলধারে বৃষ্টিতে ভাসল শহর থেকে গ্রামীণ এলাকা। বারুইপুর, রাজপুর-সোনারপুর, জয়নগর-মজিলপুরের একাধিক ওয়ার্ড জলমগ্ন হল।
পুর নাগরিকদের ঘরে ঘরে ঢুকল জল। রাস্তাতেও কোমর সমান জল দাঁড়িয়ে। অভিযোগ, ফি বছর অতিভারী বৃষ্টি হলেই জলমগ্ন হয় পুর এলাকা। বেহাল নিকাশি ব্যবস্থা। জমা জলে ঘুরে বেড়াচ্ছে সাপ-পোকামাকড়।
বাসিন্দাদের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে কুলতলী, জয়নগর গ্রামীণ এলাকাতেও।বারুইপুরে ফুলতলা রামনগর বিভিন্ন এলাকা সহ বারুইপুর পুরসভার গোলপুকুর মণ্ডলপাড়া, বিদ্যাসাগর পল্লি, শাহাজান রোড, উকিল পাড়া, পঞ্চাননতলা, অক্ষয় সংঘ, দত্ত পাড়া, মাস্টারপাড়া, নস্করপাড়া, সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে যাওয়ার রাস্তা, সুবুদ্ধিপুর কলোনি, বেলতলা সহ একাধিক এলাকা জলমগ্ন।
গোলপুকুর মণ্ডলপাড়া, বিদ্যাসাগর পল্লিতে রাস্তায় কোমর সমান জল দাঁড়িয়ে গিয়েছে। জল ঢুকেছে বাসিন্দাদের ঘরে। জনজীবন ব্যহত। গোলপুকুরের বাসিন্দাদের অভিযোগ, ফি বছর বারুইপুর পুর এলাকা জল মগ্ন নিয়ে বাসিন্দারা পুর প্রশাসনের নজরদারিকেই দায়ি করেছেন।
তাঁদের বক্তব্য, পুর প্রশাসন বরাবর নিচু এলাকায় জল জমে অজুহাত দিয়ে দায় সারছে। বেহাল নিকাশি ব্যবস্থার জন্য এমন দুর্ভোগ বরাবর। রেলের কালভাটগুলি বড় না করলে জল বের হওয়ার সমস্যা মিটবে না। কিন্তু সেই ব্যাপারে কোনও হেলদোল নেই প্রশাসনের।
এদিকে রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার মিশনপল্লি, সুভাষগ্রাম রেলগেট সংলগ্ন রাস্তা, সুভাষ পার্ক, গ্রীন পার্ক, রেনিয়া, বৈকুন্ঠপুর, রাজপুর এলাকাও জলমগ্ন। বাসিন্দাদের ঘরে ঘরে জল ঢুকেছে। জল থেকে দুর্গন্ধও ছড়াচ্ছে।

পাশাপাশি, জয়নগর-মজিলপুর পুরসভার বানী সিনেমাহল থেকে স্টেশন রোড, পালপাড়া পঞ্চাননতলা, সার্কাস মাঠ, দত্তবাজার, শংকর নার্সিংহোম সংলগ্ন এলাকা জলমগ্ন। বাসিন্দাদের অভিযোগ, জল জমার আগে কোনও প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি পুরসভার পক্ষ থেকে। বিভিন্ন পঞ্চায়েত এলাকাতে এই নিম্নচাপে বৃষ্টির ফলে জলমগ্ন হয়ে গেছে চারিদিকে।
শহরের পাশাপাশি গ্রামের ও রাস্তায় হাঁটুর উপর জল উঠে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ জল যন্ত্রণায় ভোগ করছে।






