Select Language

[gtranslate]
২৯শে মাঘ, ১৪৩২ বৃহস্পতিবার ( ১২ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ )

ধোবাবেড়্যা ও আমতলিয়া অঞ্চলে আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার উত্তর কাঁথি বিধানসভার দেশপ্রাণ ব্লকের ধোবাবেড়্যা ও আমতলিয়া অঞ্চলে আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান অনুষ্ঠিত হলো।জেলাপরিষদের মৎস্য ও প্রানী কর্মাধ্যক্ষ তরুণ জানা প্রথমে ধোবাবেড়া অঞ্চলের সফিয়াবাদ শীতল প্রসাদ বিদ্যামন্দিরে এই প্রকল্পের সূচনা করেন। আয়োজন ছিল নজরকাড়া।তিনি পৌঁছালে বিদ্যালয়ের এনসিসি টীম ও ছাত্রী গার্ড অফ অনার দিয়ে সম্মান জানায় ও তাকে মঞ্চে নিয়ে যান।

এরপর তরুণবাবু তার দীর্ঘ বক্তবের মাধ্যমে সরকারের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন সফিয়াবাদ,ঢোলমারীর মানুষকে গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে যেতে হচ্ছে না।এখানেই তারা তাদের প্রস্তাব রাখছেন। পরবর্তীকালে এই প্রস্তাব অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়িত হবে। তিনি বলেন মমতা বন্দোপাধ্যায় কোনো দল, কোনো রঙ দেখে উন্নয়ন করেন না।তিনি আম জনতার কথা ভাবেন। এই প্রকল্প তারই প্রতিফলন। তিনি বলেন যারা আমাদের থেকে রাজনৈতিক ভাবে দূরে আছেন, হয়ত ভাবছেন আমি প্রস্তাব দিলে হয়ত বাতিল হবে।

তিনি বলেন কথা দিতে পারি আপনারাও মমতা বন্দোপাধ্যায়ের উন্নয়নী কর্মে সামিল হোন। আমরা আপনাদেরকেও মর্যাদা দেবো।আমরা চাই একশ শতাংশ মানুষ আমাদের সাথে থাুকুক। হয়ে উঠুক মা মাটি মানুষের পরিবারের একজন সদস্য।তরুণবাবু বলেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বলেন এই ক্যাম্প হয়ে যাওয়ার পর প্রতিটি বিষয় নজর রাখার কথা বলেন। এলাকার মানুষের সাথে কথা বলে অসুবিধা সুবিধা জানান নির্দেশ দেন। যাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করা সম্ভব হবে না তাদের কাছে যান। বুঝিয়ে বলুন কেন তার পরিকল্পনা নেওয়া যায়নি। তিনি মানে এলাকাবাসীকে মনে করিয়ে দেন। একদিন বাইজাপুর থেকে সফিয়াবাদ বাজার আসতে হত কাদামাখা মোরাম রাস্তায়। এখন ঝাঁ চকচকে কংক্রিট রোড। বাজারের চেহারাটাই পাল্টে গেছে। এটাই তো উন্নয়ন, এটাইতো পরিবর্তন। এলাকাবাসীকে তিনি অনুরোধ করেন উন্নয়ন হয়েছে।,উন্নয়ন চলছে এবং আগামীতে আরও হবে। তবে উন্নয়কে রক্ষা করা, রক্ষনাবেক্ষন করা আপনাদেরই দায়িত্ব। তিনি এত সুন্দর আয়োজনের জন্য ধোবাবেড়্যা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অসীমা দাস সহ সকলকে বিশেষ ধন্যবাদ দেন।

 

উপস্থিত ছিলেন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অমলেন্দু জানা, প্রধান অসীমা দাস, জয়ন্ত মন্ডল, সবুজ মাইতি,পুলক প্রধান, দেবশ্রী সাহু,ছবি ওঝা,রাকেশ মাইতি, শুভ মাইতি সহ অনেকেই।এরপর তরুণবাবু আমতলিয়া অঞ্চলের উত্তর ডিহি মুকুন্দপুর(কালুয়া)বুথে যান। আয়োজন ছিল নজরকাড়া।তিনি বলেন আমতলিয়ার এইসব এলাকা রসুলপুর নদী তীরবর্তী জালপাই এলাকা। এলাকার মানুষজন খুব কষ্টে একটা সময় কাদা ঘেঁটে রসুলপুরে পৌছাতো।উন্নয়ন হয়েছে, আরও প্রয়োজন। তাইতো আজকের এই প্রজেক্ট। সকলে বিপুল করতালি দিয়ে তরুণবাবুকে স্বাগত জানান। বহু বয়স্ক মানুষ সরাসরি তরুণবাবুর সাথে কথা বলেন, অভাব অভিযোগ তুলে ধরেন। উপস্থিত ছিলেন অঞ্চল সভাপতি গোপাল দাস, প্রাধান আনসার দপ্তরী, জয়কৃষ্ণ মানন্না, নিত্যানন্দ গাঁতাৎ,দেবকুমার মাইতি, দেবব্রত মান্না।

Related News

Also Read