দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে কন্টাই কো অপারেটিভ ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব নিলেন তরুন মাইতি ও তরুন জানা।
দায়িত্ব নেওয়ার পর সাংবাদিক বৈঠক করে চেয়ারম্যান তরুন মাইতি জানান,যে অবস্থায় আমরা ব্যাংকের দায়িত্বটা নিলাম ব্যাংকের যে মূল বিষয়টা এনপিএ। যা ব্যাংকের সবচেয়ে খারাপ দিক। সেটা ২২ সালে এনপিএ ছিল ৬.১২ % সেটা কিন্তু ২৪ সালের নেমে এসে ৪.৫২পারসেন্ট । তারমানে ফাইভ পার্সেন্ট এর নিচে এনপিএকে তারা নামিয়ে এনেছিল । যার ফল স্বরূপ আমরা দুটো পুরস্কার পেয়েছি। ফলেএটি পশ্চিমবঙ্গের সর্ববৃহৎ ব্যাংক নয় এটি ভারতবর্ষের মধ্যে একটি বেস্ট জায়গাতে আছে। ফলে নিশ্চিতভাবে যাদের প্রাণের এই ব্যাংক, তাদের এই ব্যাংকে আমরা সুনিশ্চিত ভাবে এগিয়ে নিয়ে যাব। এখানে ৮২ হাজার ১৮৬ জন শেয়ার হোল্ডার আছে।। আড়াই লক্ষ কাস্টমার পেস আছে । ফলে কয়েক কোটি মানুষ এই ব্যাংকের উপরে নির্ভর করে। যে আমরা সব সময় যারা এই কো অপারেটিভ ব্যাংকের কাজ করতে চাই তাদের জন্য বলা আমাদের বিশাল একটা কর্মসংস্থান তৈরি করতে হবে। আমরা ব্যক্তিগতভাবে মনে করি সারা ভারতবর্ষের মধ্যে যদি সবচেয়ে অল্টারনেটিভ এমপ্লয়মেন্ট জেনারেট করতে কেউ যদি পারে সেটা কোঅপারেটিভ সেক্টর পারে । এই ব্যাংকের লেনদেনের সেভেন্টি পার্সেন্ট মূলত এম এস এম ই এর জন্য হয়ে থাকে। ফলে অনেকগুলো পরিবারের উপর নির্ভর করে আছে। কিছু কাজ কিছু দায়িত্ব আমাদের সামনে আছে ফলে সেই দায়িত্বগুলো আমরা ধীরে ধীরে পালন করব । তার থেকেও বড় কথা যে উদ্দেশ্য নিয়ে এই ব্যাংকটা তৈরি হয়েছিল ১৯৮৫ সালে। ৮০বছর আমরা পেরিয়ে এসেছি এই ৮০ বছরে যারা তিল তিল করে এই ব্যাঙ্কটাকে এই জায়গায় নিয়ে এসেছেন নিশ্চিতভাবে এই পবিত্র দিনে দাঁড়িয়ে আমরা তাদের স্মরণ করছি।






