Select Language

[gtranslate]
২৯শে মাঘ, ১৪৩২ বৃহস্পতিবার ( ১২ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ )

মহিলা শিল্পীকে অশ্লীল নাচের  জোরাজুরির অভিযোগ উঠলো ক্লাব কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে

রাতের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের নাচের আসরে এক মহিলা শিল্পীকে রাতভর আটকে রেখে অশ্লীল নাচের জন্য জোরাজুরির অভিযোগ উঠল ক্লাব কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। আর এই দাবী না মানায় মহিলা শিল্পীর পাশাপাশি পুরুষ সঙ্গীদেরও মারধর করার অভিযোগ ওঠে। অবশেষে শিল্পী সংগঠনের মাধ্যমে অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় নন্দকুমার থানার পুলিশ। মহিলা শিল্পদের হেনস্থার অভিযোগে দুই ক্লাব সদস্যকে পুলিশ পাকড়াও করেছে। সেই সঙ্গে মারধরে জখম শিল্পীদের উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর।

সূত্রের খবর, নন্দকুমারে সোনার বাংলা নামের একটি ক্লাবে রাতভর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলছিল। সেখানেই নাচের শিল্পীরা এসে পারফর্ম করছিলেন। মহিলা শিল্পীর অভিযোগ, সব মিলিয়ে দু’ঘন্টা নাচের জন্য চুক্তিবদ্ধ হলেও তাঁদের জোর করে প্রায় ৫ ঘন্টা থাকতে বাধ্য করা হয়। অবশেষে মহিলা শিল্পীকে অশ্লীল নাচের জন্য জোরাজুরি শুরু হয়। প্রতিবাদ করলে ক্লাবের সদস্যদের হাতে নিগৃহীত হন শিল্পীরা। মারধরের হাত থেকে বাদ যাননি মহিলা শিল্পীও। তাঁদের মোবাইলও ভেঙে দেওয়া হয়।

দীর্ঘ সময় পর এভাবে আটকে থাকার পর অবশেষে শিল্পীরা তাঁদের সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সংগঠনের তরফ থেকে থানায় ফোন করে বিষয়টি জানানো হয়। এরপরেই পুলিশের তৎপরতায় ঘটনাস্থল থেকে মহিলা শিল্পী ও তাঁদের সঙ্গীদের উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়। তাঁদের অভিযোগের ভিত্তিতে ক্লাবের ২ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিস সূত্রে জাননো হয়েছে।

এক মহিলা শিল্পী জানান, “নন্দকুমারের ঠেকুয়া বাজারের সোনার বাংলা ক্লাব আমাদের বুকিং করে। সন্ধ্যে ৭টায় আমরা অনুষ্ঠান স্থলে পৌঁছে যাই এবং টানা তিনঘন্টা আমরা অনুষ্ঠান করি। এরপর তাঁদের অনুরোধে আরও বেশ খানিকটা সময় আমরা নাচগান করি। এরপরেই একাধিক ক্লাব সদস্য মহিলাদের অশ্লীল নাচের জন্য জোরাজুরি করতে থাকে। আমরা প্রতিবাদ করতেই গ্রিন রুমে ঢুকে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়। মহিলাদের মারধরের পাশাপাশি শ্লীলতাহানি করা হয়। ছেলেদেরও মারধর করা হয়। পুলিশ এসে আমাদের উদ্ধার করে নিয়ে এসেছে”। মহিলা শিল্পীর আবেদন, “আমরা রাতদিন বাড়ি থেকে দূর দূরান্তে অনুষ্ঠান করি। সেখানে এই ধরণের ব্যবহারে আমরা অত্যন্ত আতংকিত”।

Related News

Also Read