Select Language

[gtranslate]
২৯শে মাঘ, ১৪৩২ বৃহস্পতিবার ( ১২ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ )

বারুইপুরে জগদ্ধাত্রী পূজার উদ্বোধনে চিত্রাভিনেত্রী পুনম ধীলন।

প্রদীপ কুমার সিংহ:- বারুইপুর সব চেয়ে বড় জগদ্ধাত্রী পূজার উদ্বোধন হলো বারুইপুরের নতুন পাড়ায়। বারুইপুর মহকুমা হসপিটালের সামনে অবস্থিত । যার উদ্বোধন করেন বলিউডের ৮০,৯০ দর্শকের জনপ্রিয় চিত্রা অভিনেত্রী পুনম ধীলন।চন্দননগরে আলোক সজ্জার বারুইপুর নতুন ভোর সোস্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি’ এর জগদ্ধাত্রী পূজা উদ্বোধনে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বারুইপুর পৌরসভার পৌর প্রধান শক্তি রায় চৌধুরী উপ পৌর প্রধান গৌতম দাস বারইপুর তিন নাম্বার ওয়ার্ডের পৌর পিতা স্বপন মন্ডল ৭ নম্বর ওয়ার্ডে পৌর মাতা মিতা দত্ত সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ মনে হচ্ছিল এই অনুষ্ঠানটি একটি চাঁদের হাট।


এই পূজার মন্ডপের ভাবনা বাংলার লোকসংকৃতি। এ ছাড়া চন্দন নগরের আলোক সজ্জায় বারুইপুরের কিছুটা অংশ আলকিতয় জলমল করে তুলেছে। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে পুনম ধীলনকে দেখতে বারুইপুরের ৮থেকে ৮০ মহিলা ও পুরুষরা ভিড় করে ছিল। পুনম ধীলন বলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বারুইপুরে এই পুজোর উদ্বোধন করতে পেরে আমি খুব গর্বিত। চিত্রা অভিনেত্রী পুনম দিলো কে কাছে পেয়ে বারুইপুর নতুন ভোর সোশ্যাল ওয়েল পেয়ারে সদস্যরা সেলফি তুলতে ব্যস্ত হয়।
সাধারনত আমাদের জেলায় নবমীর দিনেই এই পুজো বেশী হয়। কিন্তু এখানে চার দিনব্যাপী রীতি মেনে পূজা অর্চনা চলবে।


বারুইপুরের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘বারুইপুর নতুন ভোর সোস্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি’ এর দ্বিতীয় বর্ষের জগদ্ধাত্রী পূজার উদ্বোধনে চাঁদের হাট। উপস্থিত বলিউড অভিনেত্রী পুনম ধীলন, সা রে গা মা পা খ্যাত মোনালিসা দাস ও দক্ষিণ ভারতের সুরের নক্ষত্র রেমো বান্ডি। এই শিল্পীদের নিয়ে একটি সান্ধ্যকালীন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। পূজার আকর্ষণ , সনাতন রুদ্র পালের প্রতিমা ও লোকশিল্পের আধারে তৈরী অভিনব মন্ডপ। উদ্যোক্তা সজল মিত্র জানান বারুইপুর নতুন ভোরের জগদ্ধাত্রী পূজা দ্বিতীয় বছরে পদার্পণ করেছে তার মধ্য থম গ্রাম থেকে শহরের সাধারণ মানুষের কাছে নতুন ভোরের বার্তা পৌঁছে গিয়েছে। তাই এই পূজা চার দিন নতুন পাড়াতে সবার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।


তিনি আরো বলেন এই সংস্থা বাঙালির সব চেয়ে বড় উৎসব দূর্গা পূজা। এই দূর্গা পূজা উপলক্ষে চার দিন ব্যাপী বহু মানুষকে দুপুরের পেট ভরা খাদ্য পরিষেবা দিয়েছে। এই কাজ ছাড়া ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা পত্যন্ত গ্রামের এক অনাথ আশ্রমের প্রায় ১৭০জন আবাসিক দের খাদ্য সহ পোশাক আশাক পরিষেবা দেয়া হয়। বছরে একবার প্রায় ২০০ মানুষের স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয় এই সংস্থার পক্ষ থেকে।

তবে এইসব কাজের এই সংস্থার পুরুষের সঙ্গে তালে তাল মিলিয়ে মহিলারা বেশি এগিয়ে আসে

Related News

Also Read