কৃষকদের মূলত ধান,ভুট্টাচাষে প্রকৃতিক বিপর্জয়ের কারণে ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হলে সরকার এখন পাশে দাঁড়াচ্ছে।বাংলা শষ্য বীমা যোজনার মাধ্যমে বেশ কয়েকবছর ধরেই সরকার কৃষকদের সহায়তাদান করছে।বর্তমান ২০২৩ খারিফ মরশুমেও বাংলা শষ্য বীমা যোজনায় কৃষকদের বীমার আওতায় আসার জন্য আবেদন গ্রহন শুরু হচ্ছে প্রতিটি ব্লক কৃষি দপ্তরে।
জেলা কৃষি দপ্তর দপ্তর সূত্রের খবর আগামী ৩১ শে আগষ্টের মধ্যে খারিফ মরশুমে ধান চাষিরা জমির কাগজ সহ ভোটার,আধারকার্ড সহ উপযুক্ত প্রমানপত্র জমা দিয়ে বীমার আওতায় নাম নথিভুক্ত করণের জন্য আবেদন করা হচ্ছে।আর এই কারণেই শুক্রবার দুপুরে পূর্ব মেদিনীপুরের নিমতৌড়িতে জেলাশাসকের দপ্তরের সামনে কৃষকদের সচেতন করতে ট্যাবলো উদ্বোধন হলো।এই ট্যাবলো পূর্ব মেদিনীপুর জেলা জুড়ে কৃষকদের সচেতন করতে প্রচার চালাবে।জানাগেছে কৃষকেরা ফসলের ক্ষতির ৫০ থেকে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত পেতে পারেন এই বাংলা শষ্য বীনার আওতায়।আজ শুক্রবার আনুষ্ঠানিক সূচনা করলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার অতিরিক্ত জেলা শাসক দিব্যা মরুগেশন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপ কৃষি অধিকর্তা (প্রশাসন) পূর্ব মেদিনীপুর প্রবীন মিশ্র, মোহনলাল মুর্মু, তীর্থঙ্কর মণ্ডল ও অন্যান্য জেলা কৃষি দফতরের আধিকারিকগন ।কৃষিদপ্তর সূত্রের খবর একজন কৃষকের
এক হেক্টর জমি চাষ করতে খরচ প্রায়- ৮৪২২৭.০০টাকা ধরা হয় প্রাথমিকভাবে।এই চাষের সময়ে প্রকৃতিক দুর্যোগ ঘটলে ফসলের মধ্যবর্তি অবস্থায় ক্ষতি হলে ৫০% পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ এবং সর্বচ্চ ৮০% পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ ইন্সুরাঞ্চে চম্পান্য ক্ষতিপূরণ দেবেন ।







