একটানা চলতে থাকা বর্ষা কিছুটা ধরেছে।আর বর্ষা কমায় কিছুটা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছেন এই জেলার বাসিন্দারা।
যদিও তিস্তা দোমহনী, মেখলিগঞ্জ,এনএইচ ৩১ , জলঢাকা প্রমুখ নদীর অসুরক্ষিত এলাকায় এখনো জারি রয়েছে হলুদ সতর্কতা।
তার মধ্যে আবার রবিবার সকাল ৮ টায় গজলডোবা ব্যারেজ থেকে ১৮২২.৬২ কিউমেক জল ছাড়া হয়। তবে বৃষ্টিপাত অনেকটাই কম হওয়ায় বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি জলপাইগুড়িতে। এদিন সকাল থেকেই জোলা জুড়ে ঝলমলে আকাশ কিছুটা হলেও আতংক কমিয়েছে জলপাইগুড়ির বাসিন্দাদের।

Post Views: 51





