প্রদীপ কুমার সিংহ
সুপ্রিম কোর্টে নির্দেশ দিয়েছিল ২৪ জানুয়ারি তারিখে যাদের এস আই আর এর জন্য নোটিশ পাঠাচ্ছে তাদের পঞ্চায়েত,ব্লক অফিস সহ বিভিন্ন জায়গায় নামের লিস্ট টাঙ্গিয়ে দিতে হবে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনার সেই কাজ করে উঠতে পারেনি তার জন্য প্রাক্তন সিপিআইএমের সাংসদ সুজন চক্রবর্তীর রবিবার ফুলতলা সাগর সংঘ স্টেডিয়ামে মাঠে সাংবাদিকদের বলেন নির্বাচন কমিশনার এই ব্যাপারে ডাহা ফেল করেছে। শনিবার দিন ভাঙ্গর এলাকায় একটি লিস্ট বার করেছিল কিন্তু সেই লিস্ট কিছুক্ষণ পরেই তুলে নেয় সেই সম্বন্ধে তিনি বলেন নির্বাচন কমিশন ঠিক কাজ করছেন না উনি বলেন এ ব্যাপারে কিছুই জানেন না। মানুষকে এবং নির্বাচন কমিশনের যেসব বি এল কাজ করছে তাদেরকে হয়রানি করা নির্বাচন কমিশনারের অপদার্থ দায় মানুষের ঘাড়ে ফেলে দেওয়া, মানুষের ভোটার লিস্ট নির্বাচন কমিশন বিজেপি মানুষের হয়রানির কাজ করছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন সেই লিস্ট এখনো পর্যন্ত বার করতে পারল না।পশ্চিমবাংলা মানুষকে এস আই আর নিয়ে হয়রানি, বিজেপির উদ্দেশ্য প্রণীতভাবে পরিকল্পনা, নির্বাচন কমিশনারের বকলামে বিজেপি কর্মীরা, আবার সেই কর্মীরা তৃণমূলের হয়ে কাজ করছে এই দুটো মিলিয়ে বাংলার মানুষকে সর্বনাশ করছে। মানুষের জীবন জীবিকা, কাজ, শিক্ষা মানুষকে বাঁচাতে হবে এমনই বিভিন্ন দাবিতে বামফ্রন্টের পক্ষ থেকে বারুইপুর থানার অন্তর্গত ফুলতলা সাগর সংঘের মাঠ জেলা স্টেডিয়াম থেকে একটি বাইক মিছিল করে। সিপিআইএমের প্রাক্তন সাংসদ সুজন চক্রবর্তী বলেন এই মিছিলের উদ্দেশ্য এস আই আর নিয়ে মানুষকে নির্বাচন কমিশনের যে হয়রানি করছে বিজেপি ও তৃণমূলের আঁতাতে পশ্চিমবাংলা মানুষকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে, পশ্চিম বাংলার সরকারের বিভিন্ন দুর্নীতির বিরুদ্ধে শ্রমজীবী মানুষের শ্রমিক মারা শ্রমিক কোড বাতিল দাবিতে সেই সঙ্গে বাংলাকে বাঁচাতে হবে এই দাবিতে এই বাইক মিছিল। এটি শুরু হয় ফুলতলা সাগর সংঘের মাঠ থেকে বারুইপুর রেলগেট, রাজপুর,গড়িয়া,যাদবপুর হয়ে মুকুন্দ পুর পর্যন্ত যায়। প্রায় পাঁচ থেকে ৬০০ বাইক এই মিছিলে অংশগ্রহণ করে। বিভিন্ন রাস্তা থেকে আরো সিপিআইএম তথা বামফ্রন্টের কর্মীরা এই মিছিলে বাইক নিয়ে অংশগ্রহণ করে। সিপিআইএমের প্রাক্তন সাংসদ সুজন চক্রবর্তী প্রাক্তন বিধায়ক রাহুল ঘোষ ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বামফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক রতন বাঁচি এই মিছিলে ফ্লাগ নাড়িয়ে উদ্বোধন করে।





