আগামী ২৫ ডিসেম্বর অর্থাৎ বড়দিন থেকেই আলোর রোশনাইতে সেজে উঠবে সৈকত দিঘা, পরিবেশ দপ্তরের ছাড়পত্র পেলেই অলিম্পিকের আদলে আতশবাজির প্রদর্শনী দেখতে পাবেন দর্শকরা,খুশির হাওয়া সাগরপাড়ে,নিরাপত্তায় জোর ব্যবস্থা!!বৈঠক শেষে আরো বার্তা জেলাশাসক ও ভারপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিকের

বছর শেষের উদযাপন শুরু হয়ে গিয়েছে দিঘায়। সামনেই ২৫শে ডিসেম্বর, তারপরেই বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। এই উপলক্ষে ভিড় জমতে চলেছে পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘায়। অন্য বারের থেকেও এই বছর বেশি ভীড় হবে এমনটাই মত প্রশাসনিক আধিকারিকদের। ভিড় সামলাতে জেলাশাসক,ভারপ্রাপ্ত জেলা পুলিশ আধিকারিক, দিঘা উন্নয়ন পর্ষদের আধিকারিক, হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের নিয়ে একটি প্রশাসনিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো দিঘা শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদে। ট্রাফিক ,পার্কিং, সি সাইড মনিটরিং এর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে জানান জেলাশাসক।
২৫ ডিসেম্বর থেকেই গোটা দিঘা শহর সেজে উঠবে আলোর রোশনাইয়ে।এক দিকে হোটেল ব্যবসায়ীরা নিজেদের প্রতিষ্ঠান সাজাবেন, অন্য দিকে ডিএসডিএ-এর সৌজন্যে জগন্নাথ মন্দির সংলগ্ন রাস্তা, ওল্ড দিঘা ও নিউ দিঘার বিস্তীর্ণ সমুদ্রসৈকত ঝলমলে আলোয় সাজবে।প্রতিবারই পর্যটকরা হোটেলের অনৈতিক ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে সরব হন।একপ্রকার ফেস্টিভ সিজিন গুলিতে কালোবাজারি চলে দিঘায়।সেই কালোবাজারি বন্ধে এবার উদ্যোগী প্রশাসন।*স্বল্পমেয়াদি সুবিধা নিতে গিয়ে অর্থাৎ ভাড়া বাড়ালে তা দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়বে* সেটা লক্ষ্য রাখবে প্রশাসন।বিচ সাইড ফেস্টিভ্যাল হবে এবছর ও জানিয়ে দেন জেলাশাসক।ভারপ্রাপ্ত জেলা পুলিশ আধিকারিক জানান নিরাপত্তার দিক এ অতি নজরদারি চালানো হবে যাতে কোনো পর্যটক কোনোরূপ অসুবিধার সম্মুখীন না হন।নিরাপত্তার জন্যে অতিরিক্ত পুলিশ আনা হবে দিঘায়।হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন এর পক্ষ থেকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে সমুদ্র ধারেই।

দিঘা শংকরপুর হোটেলিয়ারস অ্যাসোসিয়েশন এর সভাপতি সুশান্ত পাত্র আরো জানান বর্ষবরন উপলক্ষে দিঘায় অনুষ্ঠিত হতে চলে আতশবাজি অনুষ্ঠান তবে এখনো পরিবেশ দপ্তরের ছাড়পত্র পাওয়া যায়নি।এখন অপেক্ষা দাবি মতো পর্যটকরা সমুদ্রপাড়ে অলিম্পিকের ধাঁচে সেই বিপুল আতশবাজির সমাহার দেখতে পান কিনা





